দুর্নীতির মামলায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের স্ত্রীর কারাদণ্ড

সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে ৩০ লাখ ৩ হাজার ৩২ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য-প্রমাণ পান দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা। ২৬ লাখ ৫৭ হাজার ৭৩৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনে উৎসের সঙ্গে অসংগতি থাকায় ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল নগরের ডবলমুরিং থানায় মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক রিয়াজউদ্দিন ২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে বলা হয়, আমেনা খাতুন একজন গৃহিণী। তবে মোট সম্পদ ও খরচ মিলে তাঁর ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার ৩২ টাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এতে গ্রহণযোগ্য আয় রয়েছে ১৫ লাখ ৪৭ হাজার ৩২ টাকা। ৩১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ।

Share this news as a Photo Card