নরসিংদীতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জেলখানা মোড় থেকে বাসাইল পযর্ন্ত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে শার্ন্তিপুর্নভাবে অবস্থান করেন।
নরসিংদীতে কোটাবিরোধী আন্দোলনকে ঘীরে গণহত্যা ও গণগ্রেপ্তার, শিক্ষকদের উপর হামলার প্রতিবাদে ও শিক্ষার্থীদের ৯’দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে ছাত্র-জনতার গণমিছিলে বাঁধা দেয় পুলিশ ও ছাত্রলীগ সহ আওয়ামী লীগের অংঙ্গসংগঠন নেতৃবৃন্দরা।
পরে ছাত্রলীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগ সহ অংঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের সাথে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা কয়েক জন আহত হয়।

এ সময় ডিবি পুলিশ, থানা পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (২আগষ্ট) বিকেল ৩টায় নরসিংদী সদর উপজেলা মোড় এলাকার নরসিংদী প্রেসক্লাবে’র সামনে এ ঘটনা ঘটে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা শার্ন্তিপুর্নভাবে একটি মিছিল নিয়ে উপজেলা মোড় এলাকায় প্রবেশ করলে প্রথমেই পুলিশ তাদের বাঁধা দেয়। পরে ছাত্রলীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগ সহ অংঙ্গসংগঠের নেতাকর্মীরা আন্দোলন কারীদের বাঁধা দিলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। পরে আন্দোলনকারীরা অনেকেই আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়।
পরে আন্দোলনকারীদের শিক্ষার্থীদের উপর হামলার খবর ছড়িয়ে পরলে আবার বিকেল ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নরসিংদীর বাসাইল থেকে জেলখানা মোড় পযর্ন্ত হাজার হাজার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা শান্তিপুর্নভাবে র্দীঘক্ষন রাস্তায় অবস্থান করলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কোন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি প্রচন্ডবৃষ্টির কারনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা রাস্তা থেকে চলে যায়। পরে এ সময় ছাত্রলীগ সহ আওয়ামী লীগের কোন নেতৃবৃন্দদেরকে রাস্তায় দেখা যায়নি।
নরসিংদী মডেল থানার ওসি তানভীর জানান, বিষয়টি পুরোপুরি আমার নলেজে নাই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল কে, এম,শহিদুল ইসলাম সোহাগের সাথে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি মাধবদীর সাইডে আছি, সংঘর্ষের কোন খবর আমরা পাইনি।
এনএএন টিভি/বশির আহম্মদ মোল্লা
