চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানার রাঙিয়ারপোতা গ্রামে যুবককে ডেকে নিয়ে শিকলদিয়ে বেধে রাতভর লাঠিসোটা দিয়ে মারপিট ও বিড়ির আগুনদিয়ে গায়ে ছ্যাঁকা দেয়া সহ মধ্যেযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার ঈদের দিন রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন মঙ্গলবার আহত যুবককে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত যুবকের মা আলেয়া বেগম ও গ্রামবাসিরা জানান, গত ৬ বছর আগে দর্শনা আকন্দবাড়িয়া গ্রামের আবাসন এলাকার রবিউল হকের ছেলে রনি আহম্মদ (২২) এর সাথে একই গ্রামের নজু মিয়ার মেয়ে প্রেমা খাতুনের (১৮) বিবাহ হয়। গত দু মাস আগে তাদের মধ্যে বিভেদ দেখা দিলে ছাড়াছাড়ি হয়ে মেয়ের দুলাভাই এর বাড়ি রাঙিয়ারপোতায় মেয়েটি চলে যায়। ঈদেররাতে রনি আহম্মেদকে তার তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী প্রেমা খাতুন ও তার দুলাভাই সোনা মিয়া সহ বেশ কয়েকজন ডেকে নিয়ে যায়।
আহত যুবক রনির মা আলেয়া বেগম আরও জানান, রনিকে ডেকে নিয়েগিয়ে তাকে ধরে শিকল দিয়ে বেধে মারপিট, বিড়ির আগুনের ছ্যাঁকা ও গোপনাঙ্গ চটকিয়ে মারাত্বক আহত করার অভিযোগ উঠে। রনির চিৎকারে এলাকাবাসি ছুটেগিয়ে নির্যাতন বর্বরতা দেখলেও কেউ বাধা দেওয়ার সাহস দেখাননি। পরে রনির বাড়ি খবর দিলে আত্মীয় স্বজনরা রাতে উদ্ধার করে পরদিন মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার সাহা জানান, ঘটনাটি শুনেছি, তবে এখনো পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ বা মামলা করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যাবস্হা নেয়া হবে।
এনএএন টিভি/শামসুজ্জোহা পলাশ
