নিউ সুপারমার্কেটের আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকান সংস্কার

ঢাকা নিউ সুপারমার্কেটের একদিকে আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকান সংস্কারের কাজ চলছে, অন্যদিকে জমতে শুরু করেছে বেচাকেনা।

পোড়া দোকানগুলো ঈদের আগে চালু নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন মালিকরা।

তাঁরা বলছেন, আগুনে দোকানের দরজা পর্যন্ত পুড়ে গেছে। দাঁড়িয়ে আছে শুধু কাঠামো।

নতুন করে পলেস্তারাসহ ডেকোরেশন করে ঈদের আগে দোকান খোলা অসম্ভব। তবু তাঁরা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।

এদিকে, আগুনের কারণ অনুসন্ধানের জন্য গঠিত ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটি গতকাল বুধবার মার্কেট পরিদর্শন করেছে; কথা বলেছে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে।

গত শনিবার মার্কেটের তিনতলায় পূর্বপাশে তিনতলায় আগুন লাগে। আগুনে তিনতলার গোলচক্কর থেকে পূর্বপাশের ২০০ দোকান ও মালপত্র পুড়ে যায়।

এ ছাড়া আগুন ও অগ্নিনির্বাপণের সময় দোতলায় পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২৬টি দোকান।

নিউ সুপারমার্কেটের দোকান মালিক সমিতির আহ্বায়ক মারুফ হোসেন বলেন, পোড়া দোকানগুলো ছাড়া বাকি সব দোকান খোলা হয়েছে। ক্রেতারা আসতে শুরু করেছেন।

গতকাল মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, তিনতলার পূর্বপাশের পোড়া দোকানগুলো সংস্কারের কাজ চলছে। পূর্বপাশে বিদ্যুৎ সংযোগ এখনও দেওয়া হয়নি।

দুপুর ১২টার দিকে তিনতলার ১৮৪ নম্বর দোকানে রঙের কাজ চলছিল।

এটির মালিক আবুল খায়ের সমকালকে জানান, ঈদের আগে তাঁর দোকান সংস্কারের কাজ শেষ হলেও অন্যদের আরও সময় লাগবে।

 

দোকানিদের ভাষ্য,

এমন একটি দুর্ঘটনার পর দোকান ঈদের আগে খুলতে পেরেছেন– এটার জন্যই শুকরিয়া আদায় করছেন তাঁরা।

বেচাকেনাও জমতে শুরু করেছে। তবে অন্য যে কোনো ঈদুল ফিতরের তুলনায় কম।

ক্রেতারা বলছেন, গণমাধ্যমসহ নানা সূত্র থেকে তাঁরা জেনেছেন, নিউ সুপারমার্কেটের দোকান খোলা হয়েছে।

তাই তাঁরা নিজেদের পছন্দের পোশাক কিনতে এসেছেন সেখানে।

কেরানীগঞ্জ থেকে মাধ্যমিক স্কুলপড়ুয়া ছেলে মেহেদি হাসানকে নিয়ে পোশাক কিনতে আসা নাসির হোসেন বলেন, ‘মার্কেটে আগুন লাগার খবর প্রথম দিনেই শুনেছি।

পরে জানলাম, মার্কেট খুলেছে। প্রতি ঈদে এখান থেকে পরিবারের সবার কেনাকেটা করি। কারণ, এখানকার পোশাকের দাম বাজেটের মধ্যে থাকে। তাই এবারও কিনতে এসেছি।’

 

 

আরও পড়ুন:

এনএএন টিভি

Share this news as a Photo Card