তিন দিনব্যাপী “অফিস ব্যবস্থা” বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে মনিরুল আলম সেন্টুর মতো আওয়ামী লীগের দোসর অংশগ্রহণ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্র নেত্রী আফসানা আহমেদ। তিনি বলেন, একজন বিতর্কিত ব্যক্তি কীভাবে সরকারি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ পেল—তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও প্রশ্নবিদ্ধ।
এক বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রায়হান কবির কি অবগত নন যে, মনিরুল আলম সেন্টু বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামি?
ছাত্র নেত্রী আফসানা আহমেদ বলেন, “যদি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় বিষয়টি জেনেও নীরব ভূমিকা পালন করে থাকেন, তাহলে আমরা তার এই অবস্থানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। কারণ একজন হত্যা মামলার আসামিকে সরকারি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচার এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলার প্রতি চরম অবমাননা।
তিনি আরও বলেন, “আর যদি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় বিষয়টি সম্পর্কে অবগত না হয়ে থাকেন, তাহলে প্রশাসনের কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ—মনিরুল আলম সেন্টুর বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং ভবিষ্যতে কোনো প্রশিক্ষণ বা সরকারি আয়োজনেও তাকে যেন অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
এছাড়া তিনি দাবি করেন, কীভাবে একজন হত্যা মামলার আসামি সরকারি প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেল—তা তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “জুলাই আন্দোলনের শহীদদের রক্তের বিচার নিশ্চিত না করে যদি অপরাধীদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে জনগণ তা কোনোভাবেই মেনে নেবে না। অপরাধীদের প্রশ্রয় নয়—ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব।”
