২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এক কলেজেরই ৩৫ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।
রোববার এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে ৩৫ শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।

এর মধ্যে ছেলে ২০ জন ও মেয়ে ১৫ জন।
চলতি বছর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিভাগে ২৫৫ শিক্ষার্থী অংশ নেন।
এর মধ্যে ২২৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জনসহ পাস করেছে শতভাগ।
তারমধ্যে এবার ৩৫ জন শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।
এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ২০২২ সালে ৩৯ জন, ২০২১ সালে ৪০ জন, ২০১৯ সালে ৩৬ জন ও ২০১৮ সালে ৩৮ জন শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল।
মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পাওয়া ৩৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে— নিলয়, পারভেজ, কানিজ ফাতেমা, মাইশা ঢাকা মেডিকেল কলেজে, রাকিবুল ইসলাম সিফাত,
সাদিকুল হাবিব, রেজওয়ানা রিতু, ওহনা, তাসিন বিনতে রিয়াজ, নাজিয়া নুসরাত ইমু, নাফিস ফুয়াদ, আফ্রিদি হাসান সিয়াম, বৃষ্টি রায়,
তমালিকা হক রংপুর মেডিকেল কলেজে, সায়েম, জান্নাতুল ফেরদৌস, সানজিদা শর্মি, আফিয়া ইবনাত,
সেজানুর রহমান রাজশাহী মেডিকেল কলেজে, শহীদ আফ্রিদি, ধীরাজ রায়, রাফিন সাদ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে,
রাফিয়া সুলতানা মাগুরা মেডিকেল কলেজে, জিসান রসুল, শ্রী দেবী রায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে,
নওশিন নিধি মুগধা মেডিকেল কলেজে, ইসরাত জাহান পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে, ইশতিয়াক বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে,
মুনতাসির শিহাব চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে, সানজিদা ফারজানা মেধা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে, শাহরিয়ার হোসেন শিমুল পাবনা মেডিকেল কলেজে,
আহসান হাবিব ইমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজে, দীপংকর রায় দিব্য খুলনা মেডিকেল কলেজে,
রিজভী নেত্রকোণা মেডিকেল কলেজে ও আসাদুজ্জামান আসাদ নীলফামারী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।
সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সৈয়দপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি বিজ্ঞান কলেজ। বরাবরই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল করেন এই কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা মেধার স্বাক্ষর রাখেন।

Comments are closed.