সৌদি প্রবাসী আমিন আহম্মেদ পিকুল , বেকার যুবকদের টার্গেট করে সৌদিতে উচ্চ বেতনে কাজ দেওয়ার কথা বলে, আট লক্ষ টাকা ভিসার দাম নির্ধারণ করে, কালিয়া থানার পার বিষ্ণুপুর রাব্বেল শেখের ছেলে সোহেল শেখ ২৫/১১/২৩ তারিখে কয়েকজন সাক্ষীর সামনে পিতা রাব্বেল শেখ আসামি আমিন আহমেদ পিকুল কে নগদ আট লক্ষ টাকা বুঝাইয়া দেন, আসামি আমিন আহমেদ পিকুল – উক্ত সাক্ষী গণের সামনে – সোহেল শেখের পিতা কে আশ্বস্ত করেন আগামী এক মাসের মধ্যে তিনার ছেলেকে সৌদি আরবের ভালো কোম্পানিতে চাকুরী দিয়ে দেবেন, ঐ সময়ের কিছু মাস পার হয়ে গেলেও আমিন আহমেদ পিকুল তিনার দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখেন’নি, এমন অবস্থায় সোহেল শেখ, তার দেওয়া আট লক্ষ টাকা পিকুল এর নিকট ফেরত চাহিলে, আসামি পিকুল তাকে অকথ্য গালিগালাজ ও হুমকি দিয়ে টাকা দিতে অসিকার করে, পরে সোহেল শেখ বাদী হয়ে কালিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, আমিন আহমেদ পিকুলের ব্যাপারে জানা যায়, তার দাদার বাড়ি কালিয়া থানার দেওয়াডাঙ্গা গ্রামে ছিলো, পিকুলের পিতা, আজীবর সরদার তিনি দেওরাঙ্গা থেকে এসে উক্ত থানার মাধবপাশা গ্রামে বসবাস শুরু করেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান পিকুল জীবন ও জীবিকার তাগিদে ……….. ২০০২ সালে সৌদি আরবে চলে যাই, ২০০৪ সালে নিজের নাম পরিবরর্তন করে বদি আকন্দ হয়ে, আদম ব্যবসা শুরু করেন, পিকুল, এর ব্যাপারে গ্রামে আরো তথ্য সংগ্রহে গেলে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, আমিন আহম্মেদ পিকুল এর অর্থ লোভে ধ্বংস হয়েছে মাধবপাশা, বাবুপুর, বিষ্ণুপুর সহ আরো বেশ কয়েকটি গ্রামের নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার, জানা যায় – আট লক্ষ টাকায় ভালো কোম্পানিতে কাজের ভিসা দেওয়ার কথা বলে, নিয়ে কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কাজ দেয়, সেই কাজও আবার বছরে ৬/৭ মাস পাওয়া যায়, প্রবাসে কাজের জন্য যুদ্ধ আর দেশে পরিবারের কাঁধে ঋণের বোঝা ….. বেতন উঠাতে প্রয়োজন হয় আমিন সাহেবের কলমের খোচা, সেখানে আমিন আহমেদ পিকুল পার্সেন্টেজে করেন টু পাই ইনকামের ধান্দা, আর্থিকভাবে ফুলে ফেপে টাকার ধনকুবে পরিণত হয়ে গেছে এই পিকুল, পরে বাবুপুরে কয়েক লক্ষ টাকার জমি ক্রয় করে বাড়ি করে কিছুদিন যেতে না যেতে খুলনা মহানগরীতে অর্ধ কোটি টাকারও বেশি দিয়ে তৈরী করেন বিলাশ বাহুল বাড়ি, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৮ তারিখ সন্দাই পিকুল গ্রামে আসলে, মাধবপাশা বাজার থেকে – কালিয়া থানা পুলিশের চৌকস অফিসার এস আই নাজির তাকে গ্রাফতার করে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আমিন আহমেদ পিকুল (বদি আকন্দ) কালিয়া থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
- Click to email a link to a friend (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on X (Opens in new window)
