নিহত শ্রমিকের নাম হাবিবুর রহমান (২০)। তিনি ইকু ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি নিটিং কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়ের কাজীরহাট গ্রামে; বাবার নাম দুলাল উদ্দিন।
শ্রমিকরা জানান, উত্তরা ইপিজেডে অবস্থিত এভার গ্ৰিন কোম্পানিতে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে গত দুইদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শ্রমিকরা। সোমবার রাতে কর্তৃপক্ষ হঠাৎ কোম্পানি বন্ধের নোটিশ দিলে মঙ্গলবার সকালে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ শ্রমিক ইপিজেডের মূল দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। এসময় এক শ্রমিক নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকরা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মরত চিকিৎসক তানজিরুল ইসলাম ফারহান জানান, মৃত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। তার বুকে একটু ক্ষত ছিল। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ছাড়া বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।
