ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে মুসলমানরা কোরবানি দিয়ে থাকেন। মাংস খাওয়া নয়, মুখ্য উদ্দেশ্য থাকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। এজন্য মানুষ তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে পছন্দের পশু কেনার চেষ্টা করেন। এ সময় সেই পশুদের কিনে বাসায় নেওয়ার সময় পশুগুলোকে সাজিয়ে নিয়ে যান।
পশু কেনার পর ক্রেতারা শতকরা হারে ৫ শতাংশ হাসিল পরিশোধ করেন।
এরপর নতুন দড়ি, গলার মালা, কপালের চান্দিনা ও শিংয়ে রঙিন কাপড় মোড়ানো হয়।
কোরবানির মৌসুমকে টার্গেট করে প্রতি বছর হাটের আশপাশে এই ধরনের কিছু দোকান গড়ে উঠে।
তার ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকার হাটগুলোর আশপাশে কোরবানি পশু সাজানোর সামগ্রীর দোকান বসে গেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,
দেশের সর্ববৃহৎ গবাদি পশুর হাট গাবতলীতে পশু সজ্জার কয়েকটি দোকান গড়ে উঠেছে।
ওইসব দোকানে দড়ি, পশুর গলার মালা, কপালের চান্দিনা ও শিংয়ের রঙিন কাপড় বিক্রি করা হচ্ছে।
পাশাপাশি সেসব দোকান কোরবানি করার ছুরি, বটি, চাপাতি মাংস কাটার খাটিয়াও বিক্রি করছে। একটি পশুকে সাজাতে সজ্জা কিনতে হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকার।
সরেজমিনে আরও দেখা গেছে,
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনেছেন বসিলার বাসিন্দা আবদুল ফাত্তাহ।
হাসিল ঘরের সামনে গরু বেঁধে নতুন দড়ি, গলার মালা, কপালের চান্দিনা ও শিংয়ে নতুন কাপড় পরিয়ে নেন তিনি।
জানতে চাইলে বলেন,
‘কোরবানি খুশির ব্যাপার। পরিবারের কয়েকজন মিলে এসেছি। সাজিয়ে বাসায় নিয়ে গেলে পরিবার সবাই খুশিও হবেন। সজ্জা সামগ্রী বাবদ ৩০০ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান।’
আরও পড়ুন:
