খাগড়াছড়ির পাহাড়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে ড্রাগন ফলের চাষ। বিদেশী এই ফল চাষের দিকে ঝুঁকছে কৃষকরা। জেলায় ড্রাগন উৎপাদন করে রীতিমতো সাড়া ফেলেছে খাগড়াছড়ি এগ্রো নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
উৎপাদিত হওয়া ফলের দামও পাচ্ছে ভাল এবং লাভবান হচ্ছে কৃষক। খাগড়াছড়ি থেকে বিপ্লব তালুকদার এর পাঠানো তথ্য ও ছবি নিয়ে রিপোর্ট।
পিকেজি: জেলার মাইসছড়ির ‘খাগড়াছড়ি এগ্রো’তে গেলে মনে হবে এই যেন ড্রাগন ফলের রাজ্য।
প্রায় ৯ একর জায়গা জুড়ে ড্রাগন বাগানে গাছে গাছে ঝুলছে গোলাপী রঙ্গের এই ফল। ২০১৩ সালে ৪০টি পিলার নিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে বাগানটিতে ৪ হাজার পিলারে ১২ হাজার ড্রাগন গাছ রয়েছে। প্রতিমাসে ৫ থেকে ৬ দিন গড়ে তিন টন করে ড্রাগন ফল সংগ্রহ করা হয়। যা ভালো দামে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি হচ্ছে।

সট-১ (মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,বাগান মালিক) জৈব স্যার এবং গোবর ব্যাবহার করে এই ফল ফলানো হয়। তাই খেতে অত্যন্ত সুস্বাধু। এদিকে বাগানটিতে কর্মসংস্থান হয়েছে ২০জন কর্মচারীর। যারা মাসিক বেতনে বাগানে কাজ করছেন। সব খরচ মিটিয়ে লাভ থাকছে বলে জানান বাগানে কর্মরত কৃষকরা।
ভক্সপপ ০১-০৫ কৃষক এদিকে ২৪-২৫ অর্থ বছরে জেলায় ৭১.৪হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফলের আবাদ হয়েছে। এতে ২শ৫৪ মেট্রিক টন ফলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।
সট-২ বাছিরুল আলম, উপ-পরিচালক, খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর। পে-অফ সরকারি পৃষ্টপোষকতা পেলে ড্রাগন বাড়বে। যা অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকার পাশপাশি স্থানীয়দের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানান স্থানীয়রা।
বিপ্লব তালুকদার / বিপ্লব তালুকদার
