কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাড়াদেশে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছে কোটা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা একদফা দাবি বাস্তবায়নের পক্ষে নানা শ্লোগানসহ নিহত সকল শিক্ষার্থী হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান। খবর পেয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা ইটপাটকেল ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা করে। উভয়ের মধ্য ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। হামলাকারী ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ ফরিদ ভূইয়া মাসুম শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে প্রকাশ্য গুলি ছুড়তে থাকলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া ৩টা থেকে সাড়র ৪টা পর্যন্ত উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাওঘাট এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
এদিকে দফায় দফায় মহাসড়ক অবরোধের ফলে সড়কে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। জানাযায়, বিকাল সোয়া ৩ টার দিকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২ থেকে আড়াইশ জন শিক্ষার্থী কোটা সংস্কারের দাবীতে
কমপ্লিট শাটডাউন সফল করতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাওঘাট এলাকায় সড়কে বেরীকেট দিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে। ৪ টারদিকে স্থানীয় উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে তাদের ধাওয়া করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ কর।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মাছুম মিয়া আন্দোলন কারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পিস্তল দিয়ে গুলি ছুড়ে।
পরে সাড়ে ৪ টারদিকে আন্দোলনকারীরা সড়ক থেকে সরে যায়।
এনএএন টিভি/এনামুল হক
