মাওয়া মাছের বাজারের আজ সকালের চিত্র ছিল ভিন্ন রকম, এটি যেন – এ বছরের ঈদের আন্দ ছিল আড়ত দারদের চোখে মুখে -ভোরে এ আড়তে ৮০ পিস ইলিশ বিক্রি হলো দুই লাখ ২০ হাজার টাকায় ইলিশের ভরা সিজনে জেলেদের হাহুতাশ চলছিল ঘাঁটে অনেত দিন ধরেই কারন নদীতে পাযাপ্ত ইলিশ নেই। চাহিদা ও প্রত্যাশা অনুযায়ী ইলিশ মিলছিলনা জেলেদের জালে। ঠিক এমন সময় একটি ইলিশ সাড়ে ৬ হাজার টাকায় বিক্রির মাধ্যমে বেশ আলোচনায় আজ মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ঘাট।
পদ্মার এ সবগুলো মাছের’ই ওজন দুই কেজির বেশি বলে জানিয়েছেন এখান কার আড়তদার মোকাজ্জল শেখ। (৩০ আগস্ট) শনিবার,বহু দিন পর খোব ভোরে। আঃ মজিদ মৎস্য আড়তে মাছগুলো নিলামে বিক্রি করা হয়।

এই মাছ গুলো শুরেশ্বর নামা এলাকায় মাঝি মো. ইদ্রিশ এর জালের নৌকায় ধরা পরলে তাৎক্ষনিক আড়তে এনে বিক্রি করেন নিলামে। তার ধরা ৮০টি মাছ আলাদাভাবে নিলামে তোলা হলে ঢাকার ব্যবসায়ী মোঃ রাকিব শেখ ২ লাখ ২০ হাজার টাকায় কিনে নেন। মৎস্য আড়তের ম্যানেজার মো.দেলোয়ার বলেন, বড় আকারের এ সব ইলিশ কিনে নেন ঢাকার ব্যবসায়ী রা। এসব মাছ সাগরের থেকে আসা পদ্মায়, আর আসা যাওয়ার মাঝে জেলের জালে ধরা পড়ে
এ সব মাছ প্রায় প্রতিটি মাছ দুই কেজির উপরে ওজন । এগুলোকে মূলত সেরা সাইজের মাছ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে মৎস্য আড়তের সংশ্লীষ্টরা বলেন, মাছঘাটে এ ধরনের বড় আকারের মাছ মাঝে মধ্যে আসে। তবে আগে প্রায়ই বড় ইলিশ ঘাটে আসত এখন আগের মতো আসে না। দাম বেশির বিষয়ে তারা বলেছেন, মাছের কোয়ালিটি ভালো, আকার ও ওজনে বেশি হলে দাম বেশি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। বর্তমানে এ বর্ষা মৌসুমে জোলেরা কষ্ট করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরেন, যদি ভালো দাম পান তাহলে তাদের আনন্দের সীমা থাকে না। এতে জেলে, ব্যবসায়ী, শ্রমিক সবাই খুশি এ আড়ত সংশ্লীষ্টরা। তবে এ ধরনের ইলিশের চাহিদা রয়েছে প্রচুর বলে এখানে জানাগেছে ক্রেতাদের তথ্যমতে। লৌহজং উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস তালুকদার বলেন, ঘাঁটে মাঝে মধ্যে বড় বড় মাছ পাওয়া যায় এবং দামও ভালো পাওয়া যায়। মৎস্য সংরক্ষণে সরকারের দেওয়া বিভিন্ন সময়ে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করায় নদীতে বড়ো আকৃতির মাছের সংখ্যা বাড়ছে।

এখান কার আড়ত দারদের তধ্য মতে, জেলেরা সাগর ও পদ্মা নদীতে চলতি ভাদ্র মাসের শেষের দিকে আরো বড় আকারের মাছ বেশি বেশি পাবেন।তাতে করে জেলেদের মুখে হাসি ফোটাবে এবং বাজারেও সাড়া ফেলবে।
রুবেল ইসলাম তাহমিদ
