বিদেশে অবস্থান করছেন মো. আজাদ মৃধা (২২)। অথচ বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে ১৫ বছর বয়সি এক কিশোরী অবস্থান নিয়েছে।
ওই কিশোরীর দাবি—
আজাদের সঙ্গে তার তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক। বর্তমানে তাদের প্রেম সম্পর্কে ভাটা পড়ায় তিনি ওই বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন।
শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে কিশোরী রহিমা বিয়ের দাবিতে আজাদের বাড়িতে অবস্থান শুরু করে। রাত ১০টা পর্যন্ত ওই বাড়িতেই অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের দরগাগট্টি গ্রামে।
প্রেমিক আজাদ দরগাগট্টি গ্রামের আইয়ুব মৃধার ছেলে।
কিশোরী রহিমা অভিযোগ করে বলেন, রং নাম্বারে আজাদের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়।
প্রথমে মোবাইলের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে মাঝে মধ্যেই দেখা করি।
একপর্যায় আমাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এতে আমার পেটে বাচ্চা আসে।
বিষয়টি আজাদকে জানালে তিনি বাচ্চা নষ্ট করে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। তার কথামতো বাচ্চা নষ্ট করে দিই, যা উভয় পরিবারই জানত।
তিনি আরও বলেন, গত দেড় বছর আগে আজাদ আরব আমিরাতে চলে যায়।
তিনি বিদেশ থেকে এসে আমাকে বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
কিন্তু গত চার মাস ধরে আজাদ আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।
তাই আজকে বাধ্য হয়ে বিয়ের দাবিতে আমি আজাদের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছি।
তবে আজাদের বাবা মো. আইয়ুব মৃধা বলেন, আমার ছেলে দেশের বাইরে রয়েছে।
এসব বিষয়ে ছেলে কিছুই জানায়নি। ওই মেয়ে আমার বাড়িতে আসার পর আমি আমার ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি।
আমার ছেলে জানিয়েছে, ওই মেয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মনির মোল্যা বলেন,
বিয়ের দাবিতে একটি মেয়ে আজাদ নামে এক ছেলের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তবে ছেলেটা বিদেশে থাকে।
আরও পড়ুন :
