আজ মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নে মুসলিমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ওই যুবক শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের চাকপাড়া গ্রামের মৃত মতিবুর রহমানের ছেলে।
আহত রুবেলের মা মুক্তায়ারা বেগম জানান,
ধোবড়া এলাকার এমেলি খাতুন (আপন মামী) নামে এক গৃহবধূর সঙ্গে রুবেল হোসেনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এটি মেনে নিতে পারেনি এমেলির পরিবার।
আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রুবেল ট্রলিভর্তি গম নিয়ে সোনামসজিদ থেকে নিজ বাড়ির দিকে যাচ্ছিল।
এ সময় এমেলির পরিবারের লোকজন গাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গোড়াদহ বিলের ভেতরে রশি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেঁধে নির্যাতন করে।
পরে তার ডান হাতের কব্জি কেটে মাটিতে ফেলে দেয়।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রুবেল হোসেনকে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে পুলিশ।
কিন্তু তার অবস্থা খারাপের দিকে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এইচ এম মাসুম জানান,
ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে জরুরিভাবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
তবে রুবেল হোসেনের দাবি, আপন মামীর সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করে সংসার করা অবস্থায় এ ঘটনা ঘটিয়েছে মেয়ের পরিবার।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরী জোবায়ের আহমেদ জানান,
মামীর সঙ্গে পরকীয়ার কারণেই এমেলির আত্মীয় স্বজনরা রুবেলের হাত কেটে নিয়েছে বলে অভিযোগ পেয়েছি।
পুলিশ অপরাধীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Comments are closed.