শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পরে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শনিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ।
রবিবার আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতারকৃত কিশোর সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম আলীর ছেলে ইমরান আলী (১৭)।
সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। গত ২৯ এপ্রিল সকালে পাশের বাড়ির এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী শিশু, তার পরিবার, প্রতিবেশী, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,
গত ২৯ এপ্রিল সকালে ওই শিশুর বাসায় কেউ না থাকলে সেই সুযোগে তাকে ধর্ষণ করে ইমরান।
পরে তার মা বাসায় ফিরে আসলে ঘটনা খুলে বলে শিশুটি।
এনিয়ে জানাজানি হলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় ইমরান। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করলেও মানেনি শিশুটির পরিবার। পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দেয়।
ওই শিশুর মা বলেন,
ঘটনার দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাসায় আসলে মেয়ে বিষয়টি আমাকে অবহিত করে।
পরদিন ৩০ এপ্রিল আমার এক ভাতিজা তাকে কয়েক থাপ্পড় দেয়ার পর সবার সামনে সে ঘটনার কথা স্বীকার করে।
১ মে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন,
ঘটনার পর থেকেই ওই ছেলের বাবা ইব্রাহিম ও তার পক্ষে শফিকুল নামের এক ব্যক্তি থানায় মামলা না করতে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে।
এমনকি আমাদেরকে ৬০ হাজার টাকার প্রলোভন দেখানো হয় যাতে আইনের আশ্রয় না নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা জুলেখা বেগম জানান,
মেয়ের পরিবারকে কিছু টাকা দিয়ে ঘটনার ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল। এর আগেও ওই ছেলের এমন আরেকটি ঘটনা রয়েছে।
মেয়েটির বাবা তার মেয়ের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে বিষয়টি প্রকাশ করতে চাইনি।
পরে মেয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে এরপর থানায় জানাতে বাধ্য হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান,
কয়েকদিন ধরে আসামি আটক করার চেষ্টা করলেও পলাতক ছিল ইমরান।
পরে শনিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার আদালতে সোপর্দ করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
