নাটোরে রাস্তায় নামবে ফিটনেসবিহীন ২০০ বাস

আসন্ন ঈদুল ফিতরে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করতে নাটোরে বিভিন্ন ওয়ার্কশপে চলছে দুর্ঘটনা কবলিত লক্কড়-ঝক্কড় বাসগুলোর মেরামত আর রং করার কাজ।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফিটনেসবিহীন অনন্ত ২০০ বাস মেরামত করা হচ্ছে।

মালিকরা ২০ রোজার মধ্যে এ বাসগুলো মেরামতের পর রং করে নতুন বানিয়ে রাস্তায় নামাবে ঈদের অতিরিক্ত যাত্রী আনতে।

ঈদ যাত্রায় এসব যানবাহন সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে।

তবে, খোঁজ নিয়ে এসব ফিটনেসবিহীন গাড়ি বন্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।

ওয়ার্কশপের শ্রমিকরা জানান, আগামী ২০ রোজার মধ্যে সব বাস নতুন করে তুলতে হবে, এজন্য ব্যস্ত সময় পার করছি।

এ বিষয়ে কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বলা চেষ্টা করা হয়।

তারা জানান, ঈদে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ থাকায় বেশি মুনাফার আশায় ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো রাস্তায় নামায় মালিকরা।

এতে ফিটনেসবিহীন হওয়ার কারণে দুর্ঘটনার অনেক মানুষের প্রাণহানি হয়।

তবে বিষয়টি দেখভালের দায়িত্ব বিআরটিএ’র ওপর থাকলেও দুর্নীতির কারণে তারা ব্যবস্থা নেয় না।

নাটোর জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি লক্ষণ পদ্দার জানান, যাত্রীদের চাপ থাকলেও ঈদ যাত্রা নিরাপদ রাখতে সমিতি থেকে ফিটনেসবিহীন বাস ও অদক্ষ চালকের মাধ্যমে রাস্তায় বাস নামতে দেয়া হবে না।

নাটোর বিআরটিএ’র সার্কেলের সহকারী পরিচালক এফ এইচ এম মঈদুর রহমান জানান,

জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্নয় করে ১৫ রমজান থেকে ঈদের পর এক সপ্তাহ পর্যন্ত অভিযান চালানো হবে।

নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. রওনক জাহান জানান, পুলিশ ও বিআরটিএকে নিয়ে খুব দ্রুতই অভিযান চলবে।

ঈদে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

ঈদে ফিটনেস বিহীন গাড়ি রাস্তায় নামানোর বিষয়টি স্বীকার করে ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এল এম মাসুদ বলেন,

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে ফিটনেসবিহীন যানবাহন আটক করতে চেকপোস্ট বসানো হবে।

বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির হিসাবে প্রায় ৬৫ হাজার মানুষ বিভিন্ন জেলা থেকে নাটোরে ঈদ করতে আসেন।

আরও পড়ুন: 

এনএএন টিভি