খুলনার রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশে পড়ে থাকা এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত এই ব্যক্তিকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
নিহতের নাম বনমালী মণ্ডল (৩৮), তিনি খুলনার কয়রা উপজেলার ৬ নম্বর কয়রা গ্রামের জোতিন্দ্র নাথ মণ্ডলের ছেলে।
খুলনা শহরের বড়বাজারস্থ কাঁচামালের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজারের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন তিনি।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়,
‘রবিবার (২৫ জুন) দুপুর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে তাকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খুলনা সোনাডাঙ্গা থানায় অপহরণের মামলা করতে যায়।’
‘তবে আত্মগোপন করেছে জানিয়ে পুলিশ তাদের মামলা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।’
নিহতের চাচাতো ভাই গৌতম মণ্ডল জানান,
‘রবিবার (২৫ জুন) দুপুরের পর থেকে তাকে পাচ্ছিলাম না। তার ব্যবহৃত মোবাইলে কল দিলে রিং হচ্ছিল, কিন্তু রিসিভ করছিল না। একপর্যায়ে রাতে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তখন আমরা পুলিশকে অবহত করি।’
নিহত বনমালীকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে গৌতম বলেন,
‘সন্ধ্যার দিকে তার ভাই (বনমালী) এর নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটা মেসেজ এসেছিল।’
‘সেখানে লেখা ছিল, বিকেল ৪:৩০ থেকে কারা যেন আমার চোখ বেঁধে আটকে রাখছে। …আমি বিপদে আছি।’
তিনি আরও বলেন,
‘হোয়াটসঅ্যাপ’র মেসেজ সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশকে দেখিয়ে অপহরণ মামলা করতে চাইলে আত্মগোপন করেছে জানিয়ে পুলিশ আমাদের মামলা নেয়নি।’
সোনাডাঙ্গা থানার এসআই মুক্তা বলেন,
‘আমি গতকাল সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত থানাতে ডিউটিরত ছিলাম। এ সময়ের মধ্যে কেউ মামলা করতে আসে নি ‘
খুলনা রেলওয়ে পুলিশের এসপি মো. রবিউল হাসান বলেন, রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশে লাশটি পড়ে ছিল।
তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। হত্যা নাকি আত্মহত্যা এখন বলা যাচ্ছে না, তদন্ত চলছে।
