দেশের ছয় জেলায় বজ্রপাতে এক দিনেই আটজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
আজ বৃহস্পতিবার
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও সাতক্ষীরায় দু’জন করে এবং যশোর, ঝিনাইদহ, রাজবাড়ী ও মেহেরপুরে একজন করে মারা গেছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুরে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় দু’জন আহত হয়েছেন।
দুপুরে আমবাগানে আমে ব্যাগিং করার সময় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো শ্যামপুর গোপালনগর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে শাহিন আলী (১৩) এবং শরৎনগর গ্রামের হারুন আলীর ছেলে অসিম (১২)।
আহতরা হলো লছমানপুর গ্রামের রোজবুল ইসলামের ছেলে মো. নয়ন (১৩) ও গোপালনগর গ্রামের কাশেদের ছেলে মো. সরোয়ার (১৫)।
শ্যামপুর ইউপির চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাতক্ষীরার কলারোয়ার পাঁচরকি ও সদর উপজেলার বিহারীনগরে বজ্রপাতে দু’জন মারা গেছেন।
নিহতরা হলেন কলারোয়ার পাঁচরকি গ্রামের কামরুল ইসলাম (৩৬) ও সদর উপজেলার বিহারীনগর গ্রামের আব্দুল্লাহ মোল্যা (৩৪)।
কলারোয়া থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বাড়ির পাশের বিল থেকে বোরো ধান ওঠাচ্ছিলেন কামরুল ইসলাম। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
সদর থানার ওসি আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, আগরদাড়ি এলাকার বিহারীনগর গ্রামের আব্দুল্লাহ মোল্যা মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন।
বাড়ির উঠানে আসা মাত্রই বজ্রপাত হলে তিনি নিহত হন।
এদিকে যশোরের শার্শায় মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কামরুল ইসলাম (৩৫) নামে একজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলায় কায়বা গ্রামের বাসিন্দা।
শার্শা থানা পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে কায়বায় মাঠে ধান তোলার কাজ করছিলেন কয়েকজন কৃষক।
এ সময় বজ্রপাত হলে কামরুল ইসলাম নিহত হন। তিনি মাঠ থেকে ধান নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন।
এর আগে বুধবার রাতে জেলার চৌগাছা পৌর শহরের তারিনিবাস এলাকার সাগর কুমার বিশ্বাস (২৪) নামে একজন বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।
ঝিনাইদহ সদরের বুরাপাড়া মাঠে ধানক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে সুজন মীর (৩১) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি কুবিরখালী গ্রামের রমিজ উদ্দিনের ছেলে।
আরও পড়ুন:

Comments are closed.