শৌচাগার থেকে দগ্ধ হয়ে চিৎকার করছিলেন রনি চৌধুরী (৩৫) নামের এক যুবক।
পরিবারের লোকজন শব্দ পেয়ে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে রনি চৌধুরীকে হাসপাতালে নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর তাঁর মৃত্যু হয়।
গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের কদমতলী তুলসীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পরে বেলা তিনটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রনি চৌধুরীর মৃত্যু হয়।
রনি চৌধুরী চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের কদমতলী তুলসীপাড়া গ্রামের অজিত চৌধুরীর ছেলে।
রনি একটি ওষুধ কোম্পানির মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর স্ত্রী ও এক মেয়েশিশু আছে।
নিহত রনির পরিবার বলছে, রনি গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন জানা গেছে, গতকাল বেলা ১১টার দিকে শৌচাগার থেকে রনির চিৎকারের আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল।
পরিবারের লোকজন গিয়ে দেখেন, শৌচাগারের দরজা খোলা। ভেতরে রনির পুরো শরীরে আগুন জ্বলছে।
এ সময় পরিবারের সদস্যরা রনির শরীরের আগুন নিভিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা তিনটার দিকে রনি মারা যান।
পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. জামাল শাহ বলেন,
“রনি চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ঝগড়া করার পর তিনি গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।”
রাঙ্গুনিয়া থানার উপপরিদর্শক প্রদীপ কুমার মজুমদার বলেন,
ওই যুবক গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য আজ রোববার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

Comments are closed.