ব্রয়লার মুরগির চেয়ে উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে বেড়েছে ‘নেটিভ চিকেন’ বা দেশি মুরগি পালন।
নিজেদের পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন খুদে খামারিরা।
খাগড়াছড়ির সবচেয়ে দুর্গম এলাকা লক্ষ্মীছড়ি। এখানকার বেশির ভাগ বাসিন্দা কৃষিনির্ভরশীল।
তবে দেশি মুরগি পালন লাভবান হওয়ায় বর্তমানে বেশির ভাগ বাসিন্দাই ঝুঁকছেন দেশি মুরগি পালনের দিকে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সূত্র অনুযায়ী,
‘উপজেলায় সাড়ে তিন হাজার পরিবার এখন নেটিভ চিকেন বা দেশি মুরগি লালন করে সংসারে সচ্ছলতা এনেছে।
খুদে খামারিরা জানান, দেশি মুরগি পালনে খরচ লাগে কম। আর বাজারে প্রতি কেজি মুরগি বিক্রি হয় ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায়।
ফলে আর্থিকভাবে সচ্ছলতা এসেছে দরিদ্র পরিবারগুলোতে।
এদিকে সরকারের দ্বিতীয় পুষ্টি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে লিন প্রকল্পের মাধ্যমে খামারিদের প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে।
সেই সঙ্গে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকেও মিলছে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা।
লিন প্রকল্পের লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা ফ্যাসিলেটর অনির্বাণ চাকমা বলেন,
‘সরকার যে দ্বিতীয় জাতীয় পুষ্টি পরিকল্পনা করেছে, সেটা বাস্তবায়ন করতে কাজ করে যাচ্ছি।
লিন প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামপর্যায়ে খামারিদের মুরগির ঘর ও বাচ্চা দেয়া হচ্ছে। এতে উৎপাদনের পাশাপাশি বেড়েছে খামারিদের আয়।
আর লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুপর্ণা দে সিম্পু বলেন,
দুর্গম লক্ষ্মীছড়িতে নেটিভ চিকেনে রীতিমতো বিপ্লব ঘটেছে। দেশি মুরগি পালনের জন্য এখানে ভালো পরিবেশ রয়েছে।
তাই খামারিদের লাভবান করতে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
