পাইকারি শাড়ির হাট ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে

পাইকারি শাড়ির হাট আসন্ন ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে বেচাকেনায় সরগরম টাঙ্গাইলের করটিয়ায় ।

টাঙ্গাইল তাঁত শাড়ির দীর্ঘদিনের মন্দাভাব কাটিয়ে আগামী ঈদকে সামনে রেখে আবার স্বপ্ন দেখছেন তাঁত মালিক ও ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন পর যেন প্রাণ ফিরেছে টাঙ্গাইলের করটিয়া শাড়ি কাপড়ের হাট।

কাকডাকা ভোর থেকেই নতুন শাড়ি সংগ্রহ করতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন পাইকারী ক্রেতারা।

আর তাঁতিরাও তাদের উৎপাদিত নতুন সব ডিজাইনের শাড়ি নিয়ে হাটে পসরা সাজিয়ে রেখেছেন।

ক্রেতা সরমগম দেখে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তারা।

তবে দূরদূরান্তের ক্রেতার উপস্থিতি দেখা গেলেও কাঙ্ক্ষিত বিক্রি নেই বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা।

তারা বলছেন, সপ্তাহে মাত্র ২ দিন পাইকারি হাট বসে। তাই ঈদের আগে খুব একটা সময় নেই।

সামনে আর মাত্র কয়েকটি হাট হবে। অনেকেই ধারদেনা করে শাড়ি উৎপাদন করে রেখেছে দীর্ঘদিনের লোকসান কাটিয়ে উঠার আশায়।

ঈদে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে শাড়ি বিক্রি না করতে পারলে আবারও লোকসান গুনতে হবে তাদের।

এদিকে দূরদূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা নতুন নতুন শাড়ি সংগ্রহ করছেন।

তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা আর অর্থনৈতিক মন্দায় তারাও অনেকটা হতাশায় আছেন।

শাড়ির দাম নিয়ে খুব একটা অভিযোগ নেই তাদের। নিত্যপণ্য দ্রব্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শাড়ি দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান তারা।

টাঙ্গাইল করটিয়া শাড়ির ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আনসারী জানান, বর্তমানে ভালো বিক্রি হচ্ছে।

সামনের দিনগুলোতে আরও ভালো বিক্রির আশা করছেন তারা।

তবে সংশ্লিষ্টদের বিদেশি শাড়ি আমদানি বন্ধ এবং তাঁতিদের প্রণোদনা দিয়ে টাঙ্গাইলের তাঁত শাড়ি টিকিয়ে রাখার আহ্বান জানান তিনি।

টাঙ্গাইলের করটিয়া হাতে প্রতি সপ্তাহে স্বাভাবিক সময়ে প্রায় ১০০ কোটি এবং ঈদের মৌসুমে ৩০০ কোটি টাকার শাড়ি বিক্রি হয়।

আরও পড়ুন:

Share this news as a Photo Card