ফরিদপুর এর চরাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে কুসুম ফুলের চাষ।
ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ এ ফুল চাষে অন্য ফসলের চেয়ে ঝুঁকি কম হওয়ার পাশাপাশি স্বল্প খরচে অধিক লাভ হয়।
এতে এই ফুল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন বেকার যুবকরা।
ফরিদপুর এর ডিক্রিরচর ও চর মাধবদিয়ে ইউনিয়ন। এসব এলাকার দিগন্ত মাঠ জুড়ে এখন বাতাসে দোল খাচ্ছে বাহারি রঙয়ের কুসুম ফুল।
এক সময়ের চরাঞ্চলের যে জমিগুলো অনাবাদি অবস্থায় পড়ে থাকতো, সেখানেই বাণিজ্যিকভাবে হচ্ছে কুসুম ফুলের চাষ।
এই ফুলের বীজ থেকে উৎপাদিত ভোজ্য তেল ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ। ফলে জেলায় দিন দিন বাড়ছে এই ফুল চাষ।
কৃষকরা বলছেন, কুসুম ফুল চাষে একদিকে যেমন অন্য ফসলের চেয়ে ঝুঁকি কম; অন্যদিকে স্বল্প খরচে অধিক লাভ হয়।
ফলে এ ফুল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন স্থানীয় যুবকরা।
আর উদ্যোক্তারা জানান, দুই বিঘা জমিতে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচে কুসুম ফুল চাষ করে মৌসুম শেষে বিক্রি করা যায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকায়। এতে সহজেই স্বাবলম্বী হতে পারছেন তারা।
এদিকে চরাঞ্চলের অনাবাদি ও অনুর্বর জমিতে এই ফুল চাষে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান ফরিদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন।
তিনি বলেন, মূলত তেল উৎপাদনের জন্য কুসুম ফুল চাষ করা হয়ে থাকে।
এই তেল মান ও গুণ সমৃদ্ধ। চাহিদা বাড়ায় এই ফুল চাষে কৃষকদের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, জেলায় চলতি বছর ১১০ হেক্টর জমিতে কুসুম ফুলের আবাদ করা হয়েছে।
যা থেকে প্রায় ২৮০ মেট্রিক টন বীজ উৎপাদিত হবে। আর গত বছর ৭২ হেক্টর জমিতে এ ফুলের আবাদ করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন :
- রাজধানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষার্থী নিহত
- কক্সবাজারে মোখার প্রভাব শুরু
- ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা, ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত
- মোখার প্রভাবে সাগরে ২৮ ফুট উচ্চতার ঢেউ
