খরা ও অনাবৃষ্টির কারণে মানিকগঞ্জে মরিচের ফলনে ধস নেমেছে। বিভিন্ন রোগে মরে যাচ্ছে মরিচ গাছ। ফলে চরমভাবে বিপাকে কৃষকরা।
এতে বন্ধ হয়ে গেছে জেলার সবচেয়ে বড় বরংগাইলের মরিচের আড়তটি।
মানিকগঞ্জের ঘিওর, দৌলতপুর, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলা।
অনাবৃষ্টিতে এখানকার দিগন্ত জোড়া মাঠে সবুজ মরিচের গাছগুলো ক্রমেই ধূসর বর্ণ ধারণ করছে।
সারি সারি গাছে নেই কোনো ফুল। চুপসে পড়ছে গাছগুলো। মাঠের পর মাঠ মরিচের আবাদের এমন দুরাবস্থা।
তীব্র রোদে শুকিয়ে মরে যাচ্ছে বিঘার পর বিঘার মরিচ গাছ। এছাড়া গুঁড়া পচাসহ নানা রোগে আক্রান্ত মরিচ গাছ।
ঋণ করে উচ্চ মূল্যের সার, সেচ ও কিটনাশন দিয়েও লাভ হচ্ছে না বলে দাবি কৃষকদের।
চাষিরা বলেন, রোদের তাপে সব গাছ মরে যাচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জেলার কৃষকরা।
অনেকেই সর্বশান্ত হয়ে মরিচ চাষ বাদ দেয়ার পরিকল্পনা করছেন।
এদিকে ফলন না থাকায় বন্ধ হয়েছে জেলার সবচেয়ে বড় বরংগাইলের মরিচের আড়তটি। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এর সঙ্গে জড়িতরা।
শিবালয় বরংগাইল আড়ত কমিটির সাংগঠনিক সম্পদক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, আগে মাসে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা লেনদেন হতো।
তবে এখন মরিচ সংকটে দোকানই খুলতে পারছেন না আড়তদাররা।
আর ফলন বাড়াতে সেচ ও কিটনাশক দেয়ার পরামর্শ দেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহ।
তিনি বলেন, চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এখন রোদের তাপ বেশি থাকায় ফলন কিছুটা কম।
তবে বৃষ্টি শুরু হলে ফলন আগের অবস্থায় ফেরার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি বছর জেলায় ৩ হাজার ৫৫১ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে।
আরও পড়ুন:
- চকরিয়ায় ২০০০০ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
- গ্রীষ্মের খরতাপে নারায়ণগঞ্জে কমেছে মাছের সরবরাহ
- রাজধানীতে গলায় ফাঁস দিয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
