বেশ কয়েক মাস ধরেই অস্থির দেশের মুরগি ও চিনির বাজার। এবার এ তালিকায় নাম উঠালো কাঁচা মরিচ ।
সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ১০০ টাকা পর্যন্ত। বাড়তি অন্যান্য সবজির দামও।
সরেজমিনে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ও আগানগর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা।
গত সপ্তাহেও যেটি বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়। মরিচের এ ঊর্ধ্বমুখী দামে বিপাকে ক্রেতারা।
আলামীন হোসেন নামে এক ক্রেতা জানান, গত সপ্তাহে কাঁচা মরিচ ১০০ থেকে ১১০ টাকায় কিনলেও সেটি এখন কিনতে হচ্ছে ২০০ টাকার বেশি দিয়ে।
তিনি আরও বলেন, অন্যান্য সবজি না হলেও তরকারি রান্না করা যায়।
তবে কাঁচা মরিচ ছাড়া তরকারি একেবারেই বেমানান। তাই বাধ্য হয়েই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
আর বিক্রেতারা বলেন, প্রচণ্ড গরমে শাকসবজির সরবরাহ কম। তাই দাম একটু চড়া। এভাবে গরম চলতে থাকলে দাম আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, বাজারে মরিচের পাশাপাশি চড়া পেঁয়াজ, ধনেপাতা, করলা ও বেগুনসহ অন্যান্য অনেক সবজির দাম।
বিক্রেতারা জানান, বাজারে গত দুই সপ্তাহ থেকেই বাড়তি ধনেপাতার দাম। বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে।
আর সপ্তাহ ব্যবধানে ১০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়।
এছাড়া প্রতিকেজি টমেটো ৫০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, শজনে ১২০ টাকা,
পেঁপে ৮০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পটোল ৭০ টাকা, কাঁচা আম ৪০ টাকা ও গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।
আর প্রকারভেদে প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকায়।
স্বস্তি নেই মুরগির বাজারেও। দুদিনের ব্যবধানে ব্রয়লারের দাম বেড়েছে ২০ টাকা পর্যন্ত।
প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়।
আর প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩৬০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা ও দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়।
এ ছাড়া প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত।
আরও পড়ুন :
