মৌলভীবাজারের খামারিরা কোরবানির বাজার ধরতে প্রস্তুত

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বাজার ধরতে মৌলভীবাজারের গরুর খামারিরা প্রস্তুত। এবারের ঈদে পশুর ভালো দামের আশা করছেন তারা।

এদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস বলছে, খামারগুলোতে যাতে নিরাপদ পদ্ধতিতে গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ করা হয়, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

কয়েক বছর ধরে সীমান্ত পথে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ থাকায় মৌলভীবাজারে গবাদি পশু পালনকারীর সংখ্যা বেড়েছে।

জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ছোট-বড় ৫ হাজার ৩০০ খামার গড়ে উঠেছে।

এসব খামারে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পশু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে।

তবে বাজারে গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেকায়দায় পড়ার কথা জানিয়েছেন খামারিরা ।

এক খামারি বলেন, ‘খৈলসহ বিভিন্ন গো-খাদ্যের দাম বেশি থাকায় গরুর দাম একটু বেশি।

আমাদের খামারের ৮০ থেকে ৯০টি গরুর কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

আশা করছি, আর ১৫ থেকে ২০ দিন পর থেকে গরু বিক্রি শুরু হবে।

এদিকে খামারগুলোতে নিরাপদ পদ্ধতিতে যেন গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ করা হয়,

সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুছ সামাদ।

তিনি বলেন, ‘মৌলভীবাজারের কোনো খামারে গরুকে স্টেরয়েড দেয়া হচ্ছে না। কারণ, আমরা অতন্ত জোরালোভাবে বিষয়টি মনিটরিং করছি।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় চলতি বছর কোরবানির ঈদের জন্য প্রায় ৫৭ হাজার গবাদি পশু লালনপালন করে প্রস্তুত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি