সপ্তাহ ব্যবধানে বগুড়ায় ধানের দাম মণপ্রতি কমেছে ১০০ টাকা

বগুড়ায় সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতি মণ ধানের দাম কমেছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

সরবরাহ বেশি থাকার পাশাপাশি মিলারদের চাহিদা কম থাকায় কমেছে দাম।

তবে ভরা মৌসুমে গত বছরের তুলনায় ভালো দাম পাচ্ছেন বলে মনে করেন আড়তদাররা।

বগুড়ার ঘোড়াধাপ ধানের হাট। ভোরবেলার বৃষ্টির কারণে কিছুটা দেরিতে কেনাবেচা শুরু হলেও হাটে গত সপ্তাহের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়েছে সরবরাহ। যার প্রভাব পড়েছে দামেও।

সরজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত হাটে ১ হাজার ১৩০ থেকে ১ হাজার ১৫০ টাকায়

বিক্রি হওয়া মোটা জাতের ধানের দাম প্রতি মণে কমেছে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

আর চিকন জাতের দামও কমেছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারে ব্রিধান-৩৩ ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ১২০ টাকা, ব্রিধান-২৮ ১ হাজার ২৩০ টাকা থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা,

বি আর-৯০ ১ হাজার ৩৫০ টাকা ও মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকায়।

এদিকে হাটে মিলাররাও ধান কিনছেন কম। এতে বাজার কিছুটা নিম্নমুখী।

তবে ভরা মৌসুমে গত বছরের তুলনায় ভালো দাম পাচ্ছেন বলে মনে করেন আড়তদাররা।

তারা বলেন, ধানের সরবরাহ বেড়েছে। দামও তুলনামূলক ভালো।

আর চলতি মৌসুমে ইউরিয়া সার প্রতি কেজিতে ৫ টাকা, কীটনাশক প্রতি বোতলে ১০০ থেকে ২৫০ টাকা ও শ্রমিকের দিন মজুরি ৮০০ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ায় ধানের ফলন ভালো হলেও এই দামে কোনোরকমে লোকসান এড়াতে পারবেন বলে মনে করছেন বেশিরভাগ কৃষক।

চাষিরা বলেন, ফলন ভালো হলেও সার ও শ্রমিক খরচ মিটিয়ে যে দাম মিলছে তাতে উঠছে না লাভ। এতে আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে লোকসানের।

উল্লেখ্য প্রতি হাটে বগুড়া ঘোড়াধাপ বাজারে প্রায় ১০ মেট্রিক টন ধান কেনাবেচা হয়। যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২৭ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি