সম্প্রতি এশিয়ার ১২টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে রফতানি-নিয়ন্ত্রণ তালিকায় যোগ করে ওয়াশিংটন।
যার প্রতিক্রিয়ায় চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,
চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
সম্প্রতি ব্লুমবার্গের প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
শনিবার (১৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মার্কিন পদক্ষেপটি একতরফা।
আর তাদের এই পদক্ষেপ জাতিসংঘ সমর্থন করে না।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ রফতানি নিয়ন্ত্রণ তালিকা বা কালো তালিকার চীনা কোম্পানিগুলো মূলত শেনজেন
এবং হংকংভিত্তিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের ডিস্ট্রিবিউটর।
এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাশিয়ার সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পকে সমর্থন করার অভিযোগে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও চলতি সপ্তাহে রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, স্পেন, সিরিয়া, তুরস্ক,
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও উজবেকিস্তানের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে এ তালিকাভুক্ত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউস সতর্ক করেছিল যে রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে সামরিক
ও প্রযুক্তি সরবরাহের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার জন্য রাশিয়া,
চীন এবং অন্যান্য দেশের কয়েক ডজন কোম্পানিকে বাণিজ্য বিভাগের কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।
এদিকে মার্চে ৫টি চীনা কোম্পানি ও একজন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
তাদের বিরুদ্ধে ইরানি এক ড্রোন নির্মাতাকে অ্যারোস্পেস কম্পোনেন্ট বিক্রির অভিযোগ আনা হয়।
কারণ, ইরানি সেই নির্মাতা ড্রোনটি রাশিয়ার কাছে বিক্রি করেন, যা দিয়ে পরে তেলের ট্যাঙ্কারগুলোয় হামলা চালানো হয়।
আরও পড়ুন:

Comments are closed.