দেশের চার শ্রেণির প্রায় ১০ কোটি মানুষের কথা বিবেচনায় রেখে চালু করা হয়েছে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা।
প্রবাসী, নিম্ন আয়ের মানুষসহ সবাই এ পেনশন ব্যবস্থায় অংশ নিতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে এ সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।
এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পেনশন স্কিম চালুর ফলে কাউকে আর ভাতার ওপর নির্ভরশীল হতে হবে না। সুরক্ষিত হবে মানুষের কর্ম ও পরবর্তী জীবন।’
সমাজের কোন শ্রেণির মানুষ, কোন ধরনের পেনশন কর্মসূচিতে মাসে কত টাকা করে জমা করলে কত টাকা করে পেনশন পাবেন, এ বিষয়ে ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম
বিধিমালা-২০২৩’ জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। এতে আপাতত চালু হচ্ছে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা এবং সমতা এ চার ধরনের স্কিম।
বিধিমালায় বলা হয়েছে,
১৮ বা তার বেশি থেকে ৫০ বছর বয়সী জাতীয় পরিচয়পত্রধারী
যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক পেনশন স্কিমে অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত হতে পারবেন।
বিশেষ বিবেচনায় ৫০ বছরের বেশি বয়সীরাও যেকোনো ধরনের পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
কোন স্কিম কার জন্য:
প্রবাস স্কিমটি : শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য। তাঁরা বৈদেশিক মুদ্রায় চাঁদা দেবেন। প্রবাসীদের কেউ দেশে ফিরে এলে সমপরিমাণ চাঁদা দেবেন দেশীয় মুদ্রায়।
মেয়াদ পূর্তিতে তাঁরা দেশীয় মুদ্রায় পেনশন পাবেন। একেবারে দেশে ফিরে এলে তারা স্কিম পরিবর্তনও করতে পারবেন।
প্রগতি স্কিম : বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের জন্য। স্কিমের চাঁদা কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ এবং মালিকপক্ষ ৫০ শতাংশ হারে বহন করবে।
কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্কিমে অংশ নিতে না চাইলে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা নিজ উদ্যোগে এ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
সুরক্ষা ও সমতা স্কিম : হচ্ছে অনানুষ্ঠানিক খাত; অর্থাৎ স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য। উদাহরণস্বরূপ রিকশাচালক, কৃষক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি ইত্যাদি
পেশার মানুষেরা এ স্কিমের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। আর সমতা স্কিম হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য, যাঁদের বার্ষিক আয় ৬০ হাজার টাকার কম।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.