চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের রেকর্ডসংখ্যক বিক্রির প্রত্যাশা

বৈশ্বিক সংকটসহ নানা জটিলতা থাকা সত্ত্বেও রেকর্ডসংখ্যক বিক্রির প্রত্যাশা চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের।

এবারের ঈদে তারা চট্টগ্রামে ৫০ হাজার কোটি টাকার পোশাক বিক্রির টার্গেট নির্ধারণ করেছেন।

এদিকে ঈদ ফ্যাশনে দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি ক্রেতাদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে ভারতীয় ও পাকিস্তানি পোশাক।

রোববার (৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামে সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ণিল সাজে সেজেছে বন্দর নগরীর সব অভিজাত মার্কেট ও শপিংমল।

ক্রেতা আকর্ষণের জন্য হাল ফ্যাশনের নানা পোশাকে সাজানো প্রতিটা দোকান।

ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি নিত্যনতুন বিদেশি পোশাকও আমদানি করেছেন ব্যবসায়ীরা।

এক বিক্রেতা বলেন, ‘আমরা মূলত ভারত থেকেই পোশাক আমদানি করে থাকি। বর্তমানে মুম্বাইয়ের কালেকশন রয়েছে। এখন ‘নায়রা’ নামের ড্রেসটির চাহিদা বেশি।’

এবার নারীদের মধ্যে পাকিস্তানি ও ভারতীয় পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

আর শিশু ও পুরুষদের পোশাকে এ দুটি দেশ ছাড়াও রয়েছে থাইল্যান্ড ও চীনের পোশাকের চাহিদা।

এক নারী ক্রেতা বলেন, ‘পোশাকদের ক্ষেত্রে আমি পাকিস্তানি পোশাকই বেশি পছন্দ করি। কারণ বাংলাদেশে এখন সেগুলোর চলই বেশি।’

আরেকজন ক্রেতা বলেন, ‘আমার মেয়েদের জন্য পোশাক কিনতে এসেছে। মার্কেটে ভারতীয় ও পাকিস্তানি পোশাকের যে কালেকশন দেখতে পাচ্ছি, তা খুবই ভালো ‘

ফলে ডলার সংকটসহ বৈশ্বিক নানা সমস্যা থাকলেও এবার ঈদের পোশাক বিক্রিতে অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করার প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামের বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সালেহ আহমেদ সোলাইমান বলেন,

‘এ ঈদে আমরা ৫০ থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকার পর্যন্ত লেনদেন হওয়ার আশা করছি।’

বিক্রি আগের তুলনায় অনেক বেশি বাড়ার কথা উল্লেখ করে চট্টগ্রাম বিপণিবিতানের ব্যবসায়িক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ খোরশেদ আলম বলেন,

‘ঈদের আগে বিক্রি আরও বাড়বে আশা করি।’

তবে গত বছরগুলোর তুলনায় এবার প্রতিটি পোশাকের দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি বলে জানান ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই।

এক বিক্রেতা বলেন, ‘যেহেতু বর্তমানে সবকিছুর দামই বাড়তি, সেহেতু পোশাকের দামও বাড়তি।

ডলারের দাম বেশি হওয়ার প্রভাবেই মূলত পোশাকের দাম বেড়ে গেছে। তবে আমাদের মুনাফা কম হলেও আমরা ক্রেতা সন্তুষ্টির ওপর বেশি জোর দিচ্ছি।’

ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর তথ্যমতে, চট্টগ্রামে শতাধিক অভিজাত শপিংমলসহ ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় তিন হাজার মার্কেট রয়েছে।

এনএএন টিভি