ছেলেরা ইসলামিক পড়াশোনা করে তাই চলচ্চিত্র ছড়ে দেবেন অনন্ত জলিল- হ্যা এমনটাই জানালেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা অনন্ত জলিল। এক সাক্ষাৎকারে এমনটা জানিয়ে বললেন, হাতে যে কয়টা কাজ আছে শেষ করে হয়তো চলচ্চিত্র ছেড়ে দেব, বাচ্চারা ইসলামিক লেখাপড়া করে তাঁর বাবা মা সিনেমা করে এমনটা ভালো দেখায় না।
অনন্ত জলিল ছেলেদের পড়াতে চান, মদিনায়। এ অভিনেতা বলেন, ‘বর্ষার কথা হচ্ছে আমাদের হাতে যে দুই তিনটা মুভি আছে, সেগুলো শেষ করে তারপরে দেখা যাবে।
আমার দুইটা ছেলে আছে জানেন। আমার বড় ছেলে এখন ৮ পারা কোরআনে হাফেজ, আলহামদুলিল্লাহ। ছোট ছেলেও কোরআন রিডিং খতম করেছে, দ্বিতীয়বার পড়ছে। ওদের একজনের সাড়ে ৭ বছর, আরেকজনের সাড়ে ১০ বছর।
যখন বর্ষা প্রথম প্রেগন্যান্ট হয়, তখনই আমরা নিয়ত করি আমাদের ছেলেকে আমরা মুফতি বানাবো। একটা সময়ে মদিনাতে পড়াশোনা করবো।’
তিনি আরও জানান, সন্তানদের শিক্ষা ও বেড়ে ওঠা ইসলামিক ধ্যানধারণার মধ্যে হচ্ছে। তাই বাবা-মায়ের চলচ্চিত্রে সক্রিয় থাকা তাদের জন্য ইতিবাচক হবে না।
২০১০ সাল থেকে নিজ প্রযোজনায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন অনন্ত জলিল। প্রায় প্রতিটি ছবিতেই তার নায়িকা ছিলেন স্ত্রী বর্ষা। দেশীয় প্রযোজনার পাশাপাশি তিনি তুরস্ক ও আফগানিস্তানের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনাতেও কাজ করেছেন।
বর্তমানে অনন্ত-বর্ষা অভিনীত ‘দ্য স্পাই’ ও ‘নেত্রী: দ্য লিডার’ নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে বলিউডের নামি অভিনেতারাও যুক্ত আছেন। তবে এ দম্পতির ভাষায়, হাতে থাকা অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো শেষ করার পরই তারা স্থায়ীভাবে সিনেমা থেকে সরে দাঁড়াবেন।
অনন্ত জলিল বলেন, ‘আমাদের কয়েকটা কাজ প্রায় শেষের দিকে। সেগুলো শেষ করেই হয়তো বিরতি নেব। করোনার ধাক্কা আর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ব্যবসায় বেশি মনোযোগ দিতে হচ্ছে। নইলে কর্মসংস্থানের জায়গাটা ধ্বংস হয়ে যাবে।’
এই জুটিকে সবশেষ দেখা গেছে পরিচালক মোহাম্মদ ইকবালের ‘কিল হিম’ সিনেমায়। এরপর বড় পর্দায় আর দেখা যায়নি তাদের।
