বদলে যাওয়া রুনা খান তাঁর ওজন কমাতে কাউকে অনুপ্রেরণা হিসেবে মনে করেননি। বললেন, ‘আমার সঙ্গ তাড়াতে লেগেছে ১০ বছর, আর ওজন কমাতে লেগেছে মাত্র ১ বছর।’
দুই দশকের কয়েক বন্ধুর কারণে জীবনের এত বড় ট্রমায় যেমন রুনা খান পড়েছেন,

তেমনি এই এক বছরের জার্নিতে নতুন কিছু বন্ধুকে পাশে পেয়েছেন, যাঁরা তাঁর জীবনে আশীর্বাদও।
রুনা খানের ভাষায়, ‘দে ব্রিং হ্যাপিনেস ইন মাই লাইফ।’
ওজন কমিয়ে বদলে যাওয়া রুনা খান এখন কাজকর্মে আগের চেয়ে অনেক বেশি এনার্জি পান বলে জানান।
ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় সকালে থাকত দুটি ডিম। এরপর যেকোনো ফল খেতেন। তারপর ব্ল্যাক কফি খেয়ে এক ঘণ্টা হাঁটাহাঁটি।

এরপর প্রতিদিন দুপুরে এক কাপ ভাত, সঙ্গে এক বাটি সবজি, বড় এক টুকরা মাংস অথবা মাছ।
বিকেলে মুঠো পরিমাণ বাদাম ও ব্ল্যাক কফি খেতেন এবং এক ঘণ্টা ইয়োগা করতেন।
রাতে বড় এক বাটি সবজি, এক টুকরা মাছ বা মুরগির মাংস ও এক গ্লাস দুধ খেতেন।
ওজন কমাতে রুনা খান প্রতিদিন দুপুরে এক কাপ ভাত, সঙ্গে এক বাটি সবজি, বড় এক টুকরা মাংস অথবা মাছ।
বিকেলে মুঠো পরিমাণ বাদাম ও ব্ল্যাক কফি খেতেন এবং এক ঘণ্টা ইয়োগা করতেন।
রাতে বড় এক বাটি সবজি, এক টুকরা মাছ বা মুরগির মাংস ও এক গ্লাস দুধ খেতেন।
আরও পড়ুন:
- গোমস্তাপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা নববর্ষ উদযাপন
- বিয়ের দাবিতে শিক্ষকের বাড়িতে তরুণীর অনশন
- ৩৯ দেশে শীর্ষ দশে রয়েছে আলোচিত ওয়েব সিরিজ ‘দ্য গ্লোরি’
- সব বিষয় মাথায় রেখেই তদন্ত করা হবে: ডিএমপি
- পবিত্র লাইলাতুল কদরে রাতে করতে পারেন যেসব ইবাদত ও আমল
- চাঁদপুর ল’ কলেজের এলএলবি ২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ইফতার ও মিলনমেলা
এন এ এন টিভি
