১১ ব্যাটসম্যান মিলে ১২ রান!
হ্যাঁ, ঠিক এমনটাই ঘটেছে একটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে। জাপানের বিপক্ষে মাত্র ১২ রানে অলআউট হয়েছে মঙ্গোলিয়া। এটুকু পড়ে যাঁরা অবাক হচ্ছেন, তাঁদের জন্য আরেকটি তথ্য হচ্ছে—এটিই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির সর্বনিম্ন স্কোর নয়। এর চেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার ঘটনা আছে টি-টোয়েন্টিতে। জাপানের কাছে মঙ্গোলিয়ার ১২ রানে গুটিয়ে যাওয়াটা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
সবচেয়ে কম ১০ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডটা আইল অব ম্যানের। আইরিশ সাগরে অবস্থিত স্বশাসিত অঞ্চলটি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্পেনের বিপক্ষে ৮.৪ ওভার ব্যাট করে ১০ রানে অলআউট হয়েছিল।
বুধবার (০৮ মে, ২০২৪) সানোতে জাপানের ছুড়ে দেওয়া ২১৭ রানের জবাবে তারা অলআউট হয়েছে মাত্র ১২ রানে। যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। মঙ্গোলিয়া ১২ রানে অলআউট হয়ে তুরস্ককে ঠেলে দিয়েছে তৃতীয় স্থানে। ২০১৯ সালে তারা মাত্র ২১ রানে অলআউট হয়েছিল চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে।
জাপান এদিন আগে ব্যাট করতে নেমে সাবাওরিশ রবীচন্দ্রনের ৬৯, কেন্দেল কাদোওয়াকি ফ্লেমিংয়ের ৩২, ইব্রাহিম তাকাহাশির ৩১ ও বেঞ্জামিন ইতো-দাভিসের ২১ রানের ইনিংসে ভর করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২১৭ রান তোলে।
জবাব দিতে নেমে ৮.২ ওভারে মাত্র ১২ রানে অলআউট হয় মঙ্গোলিয়া। তাদের দলের কেউ দুই অঙ্কের কোটায় রান করতে পারেনি। সর্বোচ্চ ৪ রান করেন তুর সৌম্য। এছাড়া নামসানি বাট-ইয়ালাত ২, গান্দেমবেরেল গানবোল্ড ২ ও ইনখ-এরদেনে অটগোনবায়ার ১ রান করেন। শূন্যরানে আউট হন ছয়জন। তাতে ২০৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হার মানে মঙ্গোলিয়া। যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে পাওয়া চতুর্থ জয়।
বল হাতে জাপানের কাজুমা কাতো-স্টাফোর্ড ৩.২ ওভার বল করে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৫টি উইকেট নেন। আব্দুল সামাদ ১ ওভারে ৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। মাকোতো তানিইয়ামা ২ ওভার বল করে কোনো রান না দিয়ে ২টি উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হন ফাইফার নেওয়া কাজুমা কাতো-স্টাফোর্ড।
