শেখ মুজিবের মৃত্যুর ৫০ বছর, শোক জানিয়ে যা বললেন তারকারা

আজ ১৫ আগস্ট, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটিতে শোক এবং শ্রদ্ধা জানিয়েছে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বিনোদন জগতের অনেক তারকা। তার মধ্যে আছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান, অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া এবং মেহের আফরোজ শাওন।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ছবি করেন শাকিব। কালো ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবিতে রয়েছে লাল রক্তের দাগ।

 ক্যাপশনে শাকিব লেখেন,

             শোকাবহ দিনে বিনম্র শ্রদ্ধা।

শাকিবের এ পোস্টের পরপরই মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনরা একে একে শেখ মুজিবকে শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করেন। এক ভক্ত শাকিবকে উদ্দেশ করে লেখেন, ধন্যবাদ খান এমন পোস্টের জন্য।

আরেক নেটিজেন লেখেন, ইতিহাসের ঘৃণ্য ও নৃশংসতম সেই হত্যাকাণ্ডের ৫০ বছর আজ।
শাকিব ছাড়াও ফেসবুকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ইয়াসমিন জাহান তারিন, মুজিবুর রহমান সুমন, মাহিয়া মাহি এবং মেহের আফরোজ শাওন।
অভিনেতা খায়রুল বাশার তার পোস্টে কবি আল মাহমুদ এবং নির্মলেন্দু গুণের কবিতার পঙক্তি তুলে ধরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া তার ২০১৬ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা জানিয়ে করা পোস্টটি আজ শেয়ার করেছেন।

১৯৭৫ সালের এই দিনে শেখ মুজিবকে হত্যা করে একদল সেনা সদস্য। সেদিন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়াও তার সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তাদের সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামালকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের শিকার হন শেখ মুজিবুর রহমানের অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নীপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত এবং তার ছেলে আরিফ ও সুকান্তবাবু, মেয়ে বেবি, শেখ মুজিবের ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন।

এ সময় শেখ মুজিবের দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে ছিলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দিনটি জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। তবে, ২০২৪-এ গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের রিভিউ খারিজ হয়ে গেলে মুজিব হত্যার ৫ আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর হয়। ২০২০ সালের ১২ এপ্রিল ভারতে পালিয়ে থাকা আরেক আসামি আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।