বৃহস্পতিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংবাদ সম্মেলনে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের প্রশংসা করেছে এবং জানিয়েছে দুই দেশ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য কাজ চালিয়ে যাবে। কিমের উপস্থিতি ২০১৫ সালের বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ থেকে একটি বড় অগ্রগতি। কারণ তখন পিয়ংইয়ং শুধু শীর্ষ কর্মকর্তা চো রিয়ং-হে’কে পাঠিয়েছিল। এবার কিম পুতিন ও শি’র সঙ্গে পাশাপাশি দাঁড়াবেন, যা নিছক ছবির সুযোগের বাইরে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে। এই হঠাৎ সাক্ষাৎ এমন সময়ে হচ্ছে, যখন ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চুক্তি করার চেষ্টা করছেন। এর ফলে শি সীমিত হলেও পুতিন ও কিমের ওপর তার প্রভাব দেখাতে পারবেন। এটি ট্রাম্পের সম্ভাব্য এশিয়া সফরের কয়েক সপ্তাহ আগেই হচ্ছে। হোয়াইট হাউস ইঙ্গিত দিলেও সফর নিশ্চিত করেনি। তবে জানিয়েছে, ট্রাম্প শির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত করতে আগ্রহী। আগামী সপ্তাহে পুতিন ও কিমের সঙ্গে বৈঠক শিকে ট্রাম্পের সঙ্গে ভবিষ্যৎ কোনো সম্মেলনে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
- Click to email a link to a friend (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on X (Opens in new window)
চীনের সামরিক কুচকাওয়াজে পুতিনের সঙ্গে যোগ দেবেন কিম জং উন
তিনি বহুদিন ধরে বেইজিং নেতৃত্বাধীন এক নতুন বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন। পুতিন ও কিম ছাড়াও আরও ২৬ জন রাষ্ট্রপ্রধান কুচকাওয়াজে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১৯৫৯ সালের পর এটাই হবে প্রথমবারের মতো কোনো উত্তর কোরীয় নেতা চীনের সামরিক কুচকাওয়াজে উপস্থিত থাকা। কুচকাওয়াজে চীন তাদের সর্বাধুনিক অস্ত্রভাণ্ডার প্রদর্শন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে শত শত বিমান, ট্যাঙ্ক ও অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম থাকবে। এটাই হবে তাদের নতুন সামরিক কাঠামো প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গভাবে প্রদর্শন। সযত্নে সাজানো এই মহড়ায় তিয়ানআনমেন স্কয়ারে দশ হাজারেরও বেশি সেনা প্যারেডে অংশ নেবেন। চীনের সামরিক বাহিনীর ৪৫টি শাখা এবং যুদ্ধাহত প্রবীণ যোদ্ধারাও থাকবেন। ৭০ মিনিটব্যাপী কুচকাওয়াজ শি জিনপিং নিজে তত্ত্বাবধান করবেন। এটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন পশ্চিমা শক্তিগুলো ও সামরিক বিশ্লেষকরাও।

One Reply to “চীনের সামরিক কুচকাওয়াজে পুতিনের সঙ্গে যোগ দেবেন কিম জং উন”
Comments are closed.