বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, উত্তর কোরিয়া এই লাউডস্পিকার সরিয়ে নিয়েছে।
কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি প্রকাশিত ইংরেজি ভাষার তার এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং জোর দিয়ে বলেছেন, উত্তেজনা কমাতে দক্ষিণের প্রচেষ্টা অর্থহীন। কিম ইয়ো জং বলেন, ‘আমরা কখনও সীমান্ত এলাকায় স্থাপিত লাউড স্পিকার অপসারণ করিনি এবং অপসারণ করতে রাজি নই।’ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং জুন মাসে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে পারমাণবিক অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার এবং পূর্বশর্ত ছাড়াই সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। যখন দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত উত্তর কোরিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক এমন সময়ে সময় তার এই বক্তব্য এলো। উত্তর কোরিয়া ১৯৫০ সালে তার প্রতিবেশী দেশটিতে আক্রমণ করলে কোরিয়ান যুদ্ধ শুরু হয়। দেশটি সব সময়ই যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ায় ক্ষুব্ধ এবং এগুলোকে আক্রমণের মহড়া বলে আখ্যায়িত করে আসছে।
কিম বলেন, ‘আরওকে তার লাউডস্পিকার প্রত্যাহার করুক বা না করুক, সম্প্রচার বন্ধ করুক বা না করুক, সামরিক মহড়া স্থগিত করুক বা না করুক এবং তাদের মাত্রা হ্রাস করুক বা না করুক, আমরা তাদের পরোয়া করি না এবং সেগুলোর প্রতি আগ্রহী নই।’ ‘আমি নিশ্চিত যে ডিপিআরকে’র প্রতি সিউলের নীতি অপরিবর্তিত রয়েছে এবং এটি কখনও পরিবর্তন হতে পারে না।’
সূত্র : এএফপি।

2 Replies to “উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত লাউডস্পিকার অপসারণের কথা অস্বীকার”
Comments are closed.