খাবার কি শুধুমাত্রই পেটের ক্ষুধা মিটিয়ে দেহের পুষ্টি যোগায়? অবশ্যই নয়।
খাদ্যদ্রব্যের আরও অনেক ব্যবহার রয়েছে। পুরুষেরা নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন শুনে? কিন্তু নারীদের অবাক হওয়ার কথা নয়।
কারণ তারা জানেন যে অনেক খাদ্যদ্রব্য আছে যা খুব সহজেই রূপচর্চা কাজে ব্যবহার করা যায়।
প্রাকৃতিক উপায়ে রূপচর্চা সম্পাদিত হয় বিধায় কোন প্রকার পার্শ-প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না!
রুপচর্চার কাজে বিভিন্ন ফলের জুস এর ব্যবহার নতুন কিছু নয়! বাজারে সহজে পাওয়া যায় এমন ফলের মধ্যে আপেল অন্যতম।
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
পাশাপাশি এর ভিটামিন বি ত্বকে চুলকানি, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
পুষ্টি কর খাবার হিসেবেই নয়, রূপচর্চায়ও আপেল দারুণ কার্যকর।
প্যাকটি তৈরি করতে প্রথমে একটি আপেল ছোট ছোট করে কেটে ব্লেন্ডারে মিহি করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।
তারপর আপেলের পেস্টের সঙ্গে ২ টেবিল-চামচ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে চোখের চারপাশ এড়িয়ে পুরো মুখে লাগাতে হবে।
প্যাকটি লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে কিছুটা শুকিয়ে গেলে, কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
মুখের চামড়ায় ভাজ পড়া ও পিগমেন্টেশনের সমাধানে আপেল খুব কার্যকরী একটি ফল ।
শুষ্ক ত্বকের জন্য ১/২ টি আপেল বেটে তাতে ১/২ চামচ লেবুর রস ,
সামান্য শসার রস আর একটি অর্গানিক ডিমের কুসুম একত্রে মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
নিয়মিত এটি ব্যবহারে ত্বকের শুষ্কতা কমে আর্দ্রতা বজায় থাকবে আর ত্বক মসৃণ কোমল হবে।
আপেলের এন্টি এইজিং উপাদান বলিরেখা সমস্যা সমাধানে ভীষণভাবে কাজ করে।
খুশকি দূর করতে মাথার ত্বকে কমলালেবুর রস ব্যবহার করুন।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কমলালেবুর রসের সাথে গোলাপজল ও মধু মিশিয়ে তুলা দিয়ে নিয়মিত মুখে লাগালে মুখের রুক্ষ ভাব কমে যাবে,
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে ও ত্বকের কোমলতা বাড়বে।
আরও পড়ুন:

Comments are closed.