গোলাপজল ব্যবহার করেন গরমে চুলের যত্নে

গোলাপজল এমনই একটা উপাদান যা একাধিক ঘরোয়া ফেস মাস্ক তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। গোলাপজল শুধু যে ত্বকের জন্যই ব্যবহার হয় তা কিন্তু না, সুগন্ধি এই তরলটি চুলের যত্নেও বেশ কার্যকরি।

গোলাপজল : গোলাপফুলের পাপড়ি পানিতে ফুটিয়ে বা ডিস্টিল করে যে তরল পাওয়া যায়, সেটাই গোলাপজল।

হালকা সুবাসিত এই তরলটি প্রাকৃতিক সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। রাসায়নিকে ভরা পারফিউমের প্রাকৃতিক বিকল্প এটি।

মিষ্টি গন্ধ ছাড়াও গোলাপজলের ওষধি গুণ আছে, এটি রান্নার উপাদান হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।

স্ক্যাল্প স্নিগ্ধ রাখে : গোলাপজলের দারুণ অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরু ও অ্যান্টিঅক্সিডান্ট গুণ রয়েছে যা মাথার চুলকানি আর প্রদাহ কমাতে পারে।

খুসকির মোকাবিলা করে : গোলাপজলে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা রয়েছে, তাই খুসকি দূর করতে এই উপাদানটির জুড়ি নেই।

খুসকি থেকেই মাথায় চুলকানি আর জ্বালা হয়।

তা ছাড়া গোলাপের নিজস্ব প্রদাহরোধী এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে যা মাথার চুলকানি কমায়, এবং মাথার ত্বক সুস্থ করে তোলে।

চুলের

চুলের বৃদ্ধি ঘটায় : গোলাপজলে ভিটামিন এ, সি, ডি, ই এবং বি3 রয়েছে। ত্বক, চুল ও সার্বিক শরীর সুস্থ রাখতে এই পুষ্টি উপাদানগুলো জরুরি।

গোলাপজল স্ক্যাল্পে সরাসরি স্প্রে করলে এ সব ভিটামিন ত্বক আর চুলের ফলিকলগুলোর গভীরে ঢুকে পুষ্টি জোগায় এবং চুলের বৃদ্ধি জোরদার হয়।

চুল কন্ডিশন করে : গোলাপজলের আর্দ্রতাগুণ খুব বেশি, ফলে শুষ্ক ত্বকের মোকাবিলায় গোলাপজল ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।

তাই স্বাভাবিকভাবেই শুষ্ক চুলের লিভ-ইন কন্ডিশনার হিসেবে গোলাপজল ভালো কাজ করে।

বিশেষ করে যাদের বাইরে ঘুরে ঘুরে কাজ করতে হয়, তাদের চুল রুক্ষ হয়ে গেলে গোলাপজল ব্যবহার করুন।

স্প্রে বটলে গোলাপজল ভরে সঙ্গে রাখুন, আর প্রয়োজনমতো চুলে স্প্রে করে নিন।

চুলের শেষভাগ শুষ্ক আর ফাটা হলেও গোলাপজল স্প্রে করুন, চুল আর্দ্র আর নরম হয়ে যাবে।

চুল মজবুত করে : ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডান্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি এবং

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণের সুবাদে গোলাপজল আপনার প্রতিটি চুল মজবুত করে তোলে।

চুলের বৃদ্ধি ঘটানো ছাড়াও চুল ওঠা আর চুল ভাঙাঝরা কমাতেও সক্ষম এই তরলটি!

চুলের সার্বিক স্বাস্থ্য উন্নত করে তুলতে জুড়ি নেই গোলাপজলের।

আরও পড়ুন:

এনএএন টিভি