ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে ভালো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইউরোপ সহ প্রতিটি দেশের সঙ্গে আমাদের যেমন রাষ্ট্রীয় একটা সম্পর্ক আছে, সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকার কারণে সুবিধা হয়েছে।
যে কারণে ইলেকশন নিয়ে আমাদের কেউ কোনো কথা বলেনি। তারা নিজেরাই জানত যে ইলেকশনে আমিই জিতে আসব। যারা আমাকে চায়নি, তাদের মাধ্যমেই কথা ওঠে, প্রশ্ন ওঠে।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় জার্মানির মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা জানাতে গণভবনে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এসব কথা বলেন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জিতে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলনে এলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জার্মানির মিউনিখের এই নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ হয়। সেখানে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না, সে-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা হয়নি। সব আলোচনাই দ্বিপক্ষীয় হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একটি দেশে নির্বাচনের রেজাল্ট ডিক্লেয়ার করতে ১২ থেকে ১৩ দিন সময় লাগলেও তাদের ইলেকশন ফ্রি-ফেয়ার। আর বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাত্র ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রেজাল্ট এসে গেল, সেটি ফ্রি-ফেয়ার না। সুতরাং এই রোগের কোনো ওষুধ আমাদের কাছে নেই। শক্তি আমাদের জনগণ, আমি সেটাই বিশ্বাস করি।
প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সাম্প্রতিক নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণা করতে দীর্ঘ সময় নেওয়া হয়েছে এবং এখনো সরকার গঠন হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করে বলেন, দেশটি এখন তো বোধহয় একটা সমঝোতায় এসেছে, কে প্রেসিডেন্ট হবে, কে কী হবে। এ রকম যদি আমাদের দেশে হতো, তাহলে বোধ হয় সমালোচনাকারীরা খুশি হতো। তেমন হয়নি বলে অনেকের মন খারাপ। তবে মন খারাপ ভালো হয়ে যাবে।
