ঈদুল আজহার ছুটি শেষে এবার ঢাকামুখী মানুষের ঢল নেমেছে। টানা কয়েকদিন ছুটির পর প্রথমদিনের অফিসে যোগ দিতে যে যেভাবে পারছে কর্মস্থলে ফিরছে।
শনিবার (১ জুলাই) খুব বেশি চাপ না থাকলেও আজ চাপ বেড়েছে ট্রেনে।
তবে যাওয়ার সময় যতটুকু কষ্ট ছিল ঢাকায় ফেরার সময় তেমন ভোগান্তি হয়নি বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
রোববার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা যায়,
‘পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা একতা এক্সপ্রেস প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করলেই যাত্রীদের ঢল নামে।’
তবে নামার সময় তেমন কোনো তাড়াহুড়ো দেখা যায়নি যাত্রীদের।
স্টেশন গেটে কঠোর অবস্থানে ছিল কর্তব্যরতরা। টিকিট চেক করে তারপর বের হতে দিচ্ছেন।’
‘টিকিটের সাথে এনআইডি ও মোবাইল নম্বর চেক করতে দেখা গেছে। যারা টিকিট ছাড়াই ভ্রমণ করেছেন তারা পড়ছেন জরিমানার মুখে।’
পাবর্তীপুর থেকে আসা এক্সপ্রেসের এক যাত্রী বলেন,
‘ট্রেনে অনেক ভিড় ছিল। অনেকেই দাঁড়িয়ে এসেছেন। কিছুটা কষ্ট হলেও যথাসময়ে ট্রেনে এসেছে। দেরি হয়নি।’
পঞ্চগড় থেকে থেকে আসা আরেক যাত্রী বলেন,
‘ছুটির পরে অফিস খুলেছে। মন না চাইলেও আসতে হচ্ছে। আমি আগে এসেছি। পরিবারের সবাই কয়েকদিন পরে আসবে।’
শুক্রবার সকাল থেকেই ফিরতি ট্রেন যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবারও সারাদিন ঢাকায় ফিরে মানুষ।
গতকাল রাত পর্যন্ত কোনোরকম ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরেন মানুষ। খুব একটা ভিড় দেখা যায়নি।
এর আগে, গত ২২ জুন থেকে ঈদযাত্রার ট্রেনের ফিরতি অগ্রিম টিকিট দেওয়া শুরু হয়। ২২ জুন দেওয়া হয় ২ জুলাইয়ের টিকিট।
যথাক্রমে ২৩ জুন ৩ জুলাইয়ের, ২৪ জুন ৪ জুলাইয়ের, ২৫ জুন ৫ জুলাইয়ের ও ২৬ জুন ৬ জুলাইয়ের টিকিট দেওয়া হচ্ছে ফিরতি ট্রেনের টিকিট।
এদিকে, চার দিনের ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি শেষে আজ রোববার খুলেছে ব্যাংক-বীমা, অফিস-আদালত ও শেয়ারবাজার।
আজ ছুটির পরের প্রথম দিন অনেকটা ঢিমেতালেই চলছে অফিস।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সারাদেশে পালিত হয়েছে মুসলমানদের অন্যতম বড় উৎসব ঈদুল আজহা।
এর আগে, ঈদের ছুটি এক দিন বাড়িয়ে চার দিন করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
ফলে ঈদ উপলক্ষে ২৭ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত (মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার) চার দিন ছুটি ছিল।

Comments are closed.