আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন ছাড়া সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের কোনো সুযোগ আর বাংলাদেশে নেই। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই ক্ষমতায় আসতে হবে। ক্ষমতায় আসতে এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে বিকল্প কোনো পন্থা নেই, থাকবেও না।
আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি নেতাদের বক্তব্যকে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও অপপ্রচারমূলক আখ্যা দিয়ে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি নির্দেশে পরিচালিত বিভীষিকাময় অগ্নিসন্ত্রাসের কথা ভুলে যায়নি। সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত পরিচালিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে দেড় শতাধিক মানুষ নিহত হয়। দেশী ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিএনপি-জামায়াতের নজিরবিহীন এই সন্ত্রাসের সংবাদ প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি যখন এক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন বৈশ্বিক এই সংকটকে পুঁজি করে বিএনপি পুনরায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে। সারাদেশের বিবেকবান মানুষ যখন জামায়াত-বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসের নারকীয় ঘটনার বিচার দাবি করছে, তখন দলটির নেতারা নির্লজ্জভাবে অতীত অপকর্মের দায়ভার অস্বীকার করার হাস্যকর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, জামায়াত-বিএনপি শুধু বাংলাদেশে নয়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সন্ত্রাসী রাজনৈতিক শক্তি। অগ্নিসন্ত্রাসের কারণেই কানাডার ফেডারেল আদালত দু’টি পৃথক মামলায় বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে রায় দেন।
