প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পূর্ব ঘোষিত আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বিকেলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে মধুর ক্যান্টিন থেকে শুরু হয়ে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গিয়ে শেষ হয় মিছিলটি। এরপর সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের বাজেট ছাত্রসমাজসহ দেশবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করবে। দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে এই বাজেট যুগোপযোগী। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি প্রণয়নে এই বাজেট ভূমিকা রাখবে। মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা ও যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে এই বাজেট একটি স্মার্ট বাজেট।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার তার নির্বাচনি ইশতেহারে যে ১১টি অগ্রাধিকারমূলক বিষয় নিশ্চিত করেছিল, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা। শেখ হাসিনার এই বাজেট, অর্থনীতির সব সূচকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি রূপকল্প ও রূপরেখা তৈরি করেছে। শেখ হাসিনা সরকারের এই বাজেট গরীব মেহনতি মানুষের ওপর ট্যাক্সের চাপ কমানোর বাজেট।
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সঞ্চালনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর সৈকত, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সাগর আহমেদ শামীম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক সজল কুন্ডুসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৪.২ শতাংশ এবং চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে চার দশমিক ছয় শতাংশ। এটি দেশের ৫৩তম, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৫তম ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকবে। ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ইতোমধ্যে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
