৮ বছর বয়সী ছেলেকে ডাক্তার দেখাতে বরিশালের উদ্দেশ্যে বাসে উঠেছিলেন দক্ষিণ ভান্ডারিয়ার বাসিন্দা তারেক (৪০)।
তবে ছেলেকে ডাক্তার দেখানো হলো না তারেকের। সড়ক দুর্ঘটনায় পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।
শনিবার (২২ জুলাই) ভান্ডারিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে সকাল ৯টায় বাশার স্মৃতি পরিবহন নামের বাসটির যাত্রী হন তারা।
সারাপথে খুব ধীরে গাড়ি চালানোয় যাত্রী সংগ্রহ করার নির্ধারিত সময়ের অধিকাংশই শেষ হয়ে যায়। যার ফলে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো শুরু করেন চালক।
এই বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে ছত্রকান্দা নামক স্থানে পৌছলে গতি না কমিয়ে একটি অটোকে রিকশাকে রাস্তা ছেড়ে দিতে গেলে গাড়িটি (বাসটি) উল্টে পুকুরে পড়ে যায়।
এ ঘটনায় ওই গাড়ির ১৭ যাত্রী নিহত হন। এদের মধ্যে তারেক মারা গেলেও
কিশোর বয়সী নাইমকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর নিজ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
তারেককে সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তারেকের ভাই সাগর জানান,
ভাইয়ের ছেলেটা অসুস্থ, তাকে সুস্থ করতে ভাই বরিশালে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
পথে দুর্ঘটনায় পড়ে ভাই চিরতরে হারিয়ে গেলো। ভাইয়ের শোকে পুরো পরিবার এখন মুহ্যমান।
পরিবারটির একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে শোকে পাথর হয়েছেন সবাই।
আরও পড়ুন :
