আগুনে পোড়া ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু

রাজধানীর বঙ্গবাজার এলাকা থেকে আগুনে পোড়া ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু করা হয়েছে।

শুক্রবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে দশটায় বঙ্গবাজার ব্যবসায়ী সমিতির তত্ত্বাবধানে এ মালগুলো গ্যাস কাটার দিয়ে কেটে সরানো শুরু হয়।

ব্যবসায়ীদের আশা দুই একদিনের মধ্যেই ঘটনাস্থল পরিষ্কার করে আবার অস্থায়ীভাবে ব্যবসা শুরু করাতে পারবেন তারা।

সেই সঙ্গে ক্ষকিপূরণ দেওয়ার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের নাম তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।

ব্যবসায়ী-মালিক সমিতির মুখপাত্র জানান ৪০ লাখ টাকায় আগুনে পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের লোহা বিক্রি করা হয়েছে।

সেগুলো সরিয়ে নিচ্ছে ক্রেতা প্রতিষ্ঠান। বিক্রির এ টাকা জমা হবে সমিতির ফান্ডে।

ব্যবসায়ী-মালিকদ সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন,

যদি আজকে রাতের মধ্যে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শেষ হয়ে যায় তাহলে কালকে সকাল থেকে এখানে দোকান বসবে।

আর যদি কালকে শেষ হয় তাহলে যতটুকু জায়গা পরিষ্কার হবে ততটুকু জায়গাতেই দোকান বসবে।

যাদের আগে মার্কেটে দোকান ছিল শুধু তারাই এখন দোকান দিতে পারবে। বাইরের কারও দোকান দেয়ার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

অগ্নিকাণ্ডের পর ব্যবসায়ীরা চেয়েছিলেন যতদ্রুত সম্ভব তারা যেন আবার ব্যবসায় শুরু করতে পারে।

ব্যবসায়ীদের এখন অপেক্ষা ধ্বংসস্তূপ সরানো। ধ্বংসস্তূপ সরানো হলে অস্থায়ীভাবেই ব্যবসা শুরু করতে পারেন তারা।

এদিকে, বঙ্গবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরীর কাজ করছেন ব্যবসায়ী-মালিকরা।

পাশাপাশি কাজ করছেন বীমা কোম্পানির সার্ভেয়াররাও।

বীমা কোম্পানির সার্ভেয়াররা জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের বীমা কোম্পানী থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।

তাই আমরা এখন তাদের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়টি তদন্ত করতে এসেছি।

ব্যবসায়ী-মালিক সমিতি ও বীমা কোম্পানীর পাশাপাশি অনলাইন জিডির কার্যক্রমও চালাচ্ছে শাহবাগ থানা পুলিশ।

আর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, সিটি করপোরেশন ও যথাযথ কর্তৃপক্ষ যদি জায়গাটা পরিষ্কার করে দেয় তাহলে তারা যা ই অবশিষ্ট রয়েছে সে মালগুলো নিয়ে অস্থায়ীভাবে হলেও দ্রুত ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:

এনএএন টিভি