গতকাল বুধবার (০১ জানুয়ারী) নারায়ণগঞ্জ বন্দরে ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহানগর বিএনপির আলোচনা সভা ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাখাওয়াত হোসেন খাঁন বলেন ক্যাডারী রাজনীতির জন্য দেশ স্বাধীন হয়নি।
উক্ত অনুষ্ঠান গতকাল বিকাল থেকে সন্ধা রাত অবধি পর্যায়ক্রমে বন্দরের ধামগড়, মদনপুর ও মুছাপুর ইউনিয়নে একের পর এক চলতে থাকে এবং ঐ এলাকায় অনুষ্ঠান পরবর্তী লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শাখাওয়াত হোসেন খাঁন এবং প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু ইউসুফ আল টিপু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাখাওয়াত হোসেন খাঁন বলেন, ৩১ দফাকে আপনারা নির্বাচনী ইশতেহারও বলতে পারেন। শেখ মুজিব গনতন্ত্র হত্যা করেছিলো।বাকশাল তৈরী করতে চেয়ে ছিলো।তারই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনা যেই স্বৈরতন্ত্র, একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের শত শত নেতা কর্মীকে মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে।আমাদের নারায়ণগঞ্জে এই ওসমান পরিবারের জন্য কেউ মাথা তুলে দাড়াতে পারে নাই।তাদের দোসর একটি গ্রুপ সেলিম ওসমান, শামীম ওসমানের পা চেটে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে। তারেক রহমান ঘোষণা করেছে বিএনপিতে অন্য কোনো দলের ঠাই নাই। আমরা বলতে চাই ক্যাডারের রাজনীতি চলবে না।ক্যাডারী রাজনীতির জন্য এদেশ স্বাধীন হয়নি।বিএনপির নাম করে যদি কোনো চাঁদাবাজি চলে,তাহলে তাদের বেধে রেখে প্রশাসনের হাতে তুলে দিবেন।
প্রধান বক্তা নারায়ণগঞ্জ মহানগর সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ টিপু বলেন, মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত হলে জনগন কখনো সমস্যায় পরবেনা।কারণ ৫ বছর পর পর ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত জনগন প্রতিনিধিত্ব করবে।জনগণ যাদেরকে ভোট দিবে,তারা দেশ চালাবে। তারেক রহমান বলেছেন নারীদের মর্যাদা ঠিক রাখতে হবে। ৩১ দফা বাস্তবায়ন করলে দ্রব্য মূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে, তারেক রহমান যাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে, তাদের পাশে থাকবেন। যারা দালালী করেছেন তাদের বিএনপি করার কোনো অধিকার নাই। তারেক রহমান এর পক্ষ থেকে আমরা একটি দাওয়াত নিয়ে এসেছি। ৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ যেখানে ব্যর্থ,বিএনপি সেখানে সফল।আওয়ামী লীগের ইতিহাস খুম,ঘুম,রাহাজানি দিয়ে মানুষের মানবাধিকার এবং মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া।ছাত্র দল নেতা স্বপন কে ঘুম করা হয়েছে। ঘুম করা হয়েছে ইলিয়াস আলী কে।আজ তারেক রহমান,খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। তারেক রহমান এর পৃষ্ঠপোষকতায় ছাত্র জনতা আন্দোলনের মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। নাজমুল হক রানা’র মুক্তি চেয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আহবান জানান
উক্ত তিনটি ইউনিয়নে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম হিরন, ধামগড় ইউনিয়ন সভাপতি জাহিদ খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর। মদনপুর ইউনিয়ন সভাপতি মামুন ভুঁইয়া,মুছাপুর ইউনিয়নের সভাপতি তারা মিয়া, যুগ্ন সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সাঃ সম্পাদক আব্দুর রহিম, মাজহারুল ইসলাম লিটন, আমির হোসেনে,বন্দর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক তাওলাত মাহামুদ।সঞ্চালনায় ছিলেন, হারুনুর রশিদ লিমন সহ স্থানীয় বিএনপি ও অংগ সগঠন সমূহের নেতৃবৃন্দ।
এনএএন টিভি / সুমন ইসলাম
