বরিশালের গৌরনদীতে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে একটি মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে (৭) নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে পালাক্রমে ৩ বন্ধু ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে ওই উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুমুরিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনে এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত তিন জনকে আসামী করে ওই রাতেই গৌরনদী থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলো পূর্ব ডুমুরিয়া গ্রামের মাহাবুব বেপারী (১৮), তরিকুল বেপারী (১৭) ও আমির সরদার (১৭)।
মামলার বাদী বলেন, আমি শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় বাড়ির সামনে মুদি দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি।
মঙ্গলবার দুপুরে আমার মেয়ে (৭) দোকানের পাশে দোলনায় দোল দিচ্ছিলো।
এ সময় মাহাবুব বেপারী চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে পশ্চিম ডুমুরিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়।
সেখানে তারা মাহাবুব, তরিকুল ও আমির পালাক্রমে শিশুটিকে ধর্ষন করে।
মেয়ের কাছে বিষয়টি শুনে ওই তিনজনকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা একে অপরের উপর দায় চাপায়।
এ সময় তরিকুল তাকে জানায়, আমি কিছু করি নাই। মামাবুব ও আমির আপনার মেয়েকে ধর্ষণ করেছে।
এই দেখেন আমার কাছে ভিডিও আছে। এ ঘটনায় ওই রাতেই মামলা দায়ের করেন তিনি।
গৌরনদী থানার ওসি মো. আফজাল হোসেন জানান,
সাত বছরের শিশু কন্যাকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত মাহাবুব বেপারী,
তরিকুল বেপারী ও আমির সরদারকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
নির্যাতিত শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন :
