দেশব্যাপী ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক শিক্ষার বিস্তার ঘটানো আবশ্যক

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেছেন, কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রায়োগিক শিক্ষার বিস্তার ঘটানো আবশ্যক। তা না হলে আমাদের বিপুল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে গড়ে তোলা অসম্ভব হয়ে পড়বে। দেশব্যাপী ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক শিক্ষার বিস্তৃতি ঘটাতে পারলেই আমরা শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো।

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) কক্সবাজারে রেস্ট হাউজ জল তরঙ্গে আয়োজিত ‘পর্যটন শিল্পের সঙ্গে শিক্ষা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের যোগসূত্র বৃদ্ধি’ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার প্রথম দিনের সেশনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য ড. মশিউর রহমান বলেন, দক্ষতা ও প্রায়োগিক শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পিজিডি ও শর্ট কোর্স চালু করতে যাচ্ছে। এরফলে পর্যটন থেকে শুরু করে সবক্ষেত্রে কর্মসংস্থানে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হবে।

সকাল থেকে শুরু হওয়া কর্মশালার প্রথম সেশনে ‘বাংলাদেশে পর্যটনের প্রসার এবং ব্রান্ডিং’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। এছাড়া ট্যুরিজমে মানবসম্পদ উন্নয়ন নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কক্সবাজারের শ্যামন বিচ রিসোর্টের রুমস ডিভিশন ম্যানেজার সৈয়দ কামরুল হাসান, কক্সবাজারের শ্যামন বিচ রিসোর্টের ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ম্যানেজার মোহাম্মদ ইমরান হোসেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম বিভাগের শিক্ষক ড. মো. আনোয়ার হোসেন ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. নাসির উদ্দিন।

ওয়ার্কশপে স্বাগত বক্তব্য দেন স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ বিন কাশেম। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, প্রকাশনা ও বিপণন দপ্তরের পরিচালক আবদুল মালেক সরকারসহ বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকবৃন্দ।