নকলায় খেটে খাওয়া এক শ্রমিক শফিকুল নির্মম নির্যাতনের শিকার

নকলা উপজেলার খেটে খাওয়া শ্রমিক শফিকুলকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে । মারধরের শিকার শফিকুল (৩০) সে কায়দা গ্রামের আহম্মদ আলীর পুত্র ।

অপরাধীরা মারধুর করে তার বাড়ি ভেঙ্গে দেয় । শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার কায়দা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে ২৭ অক্টোম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটের সময় । জানাযায় ,৪শতক জমি নিয়ে কায়দা গ্রামের আহম্মদ আলী, মহিদুল ইসলাম , শফিকুল ইসলাম , সুফিয়া বেগম ,আছমা বেগম , মাহফুজা বেগম অপর পক্ষের হৃদয় মিয়া ,খোরশেদ আলম ,রহিমা বেগম,আবুল কাশেমদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত শেরপুরের নকলা আদালতে একখানা মোকদ্দমা চলে আসছে , যার মামলা নং ৩৬৪/২০২২ অন্য প্রকার । বিজ্ঞ আদালতের বিচারক নিষেদাজ্ঞা জারি করে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার স্বার্থে উভয় পক্ষকে ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিটে হৃদয় মিয়া(২৫) পিতা রফিক মিয়া,খোরশেদ আলম(৪০) পিতা মোহাম্মদ আলী ,রহিমা বেগম(৪৫) স্বামী মৃত রফিক মিয়া,মো: আলম মিয়া (৫৫) পিতা আব্দুল কাদির ,রুবেল মিয়া (৩০) পিতা আলম মিয়া, মেখন্নী বেগম (৪৫) স্বামী আবুল কাশেম, মোহাম্মদ আলী (৬০) পিতা শহর আলী, রিতি আক্তার (২৫)পিতা মুছেন আলী , সঙ্গীয় আরো কিছু লোকবল নিয়ে বেআইনি ভাবে আহম্মদ আলীর স্বত্য দখলীয় বাড়িতে প্রবেশ করিয়া ঘরে আগ্নি সংযোগ করে একটি থাকার বসতঘর পুড়িয়ে দেয় । এবং আহম্মদ পক্ষের লোকদেরকে দেশীয় অস্ত্র দা, ফালা, লোহার সাবল,কুড়াল,বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে এতে গুরুতর আহত হয় ৫জন ।

তাদের মধ্যে শফিকুল ও মহিদুলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ক্ষতিগ্রস্থ আহম্মদ আলীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ঘর পুড়াসহ ২লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে অপরাধীরা । ঘটনাটি নিয়ে আহম্মদ আলীর পুত্র বাদী হয়ে নকলা থানায় অফিসার ইনচার্জ বরাবরে একটি আভিযোগ দাখিল করিলে পুলিশ মামলা নিতে অপারগতা প্রকাশ করে । সেনাসদস্য হৃদয় মিয়া তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেবিভিন্ন সময় বিভিন্ন অপরাধ করে পাড় পেয়ে যাচ্ছে । আইনশৃংখলা প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।