মার্চ ও এপ্রিল, এই দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশ ধরতে মধ্যরাত থেকেই নেমে পড়েছেন জেলেরা। দীর্ঘ সময় নদীতে বিচরণ করেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। ফলে অনেক জেলে ফিরছেন খালি হাতে। তবে জেলেদের হতাশা কেটেছে পোয়া, শিলন, ভেলে, চেওয়া, ছোট চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পেয়ে।
বৃহস্পতিবার (১ মে) দুপুরে সদর উপজেলার তরপুচণ্ডী ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, জেলেদের কর্মচাঞ্চল্যতা। কেউ মাছ ধরার জন্য নদীতে যাচ্ছেন, কেউবা জাল ঠিকঠাক করছেন। আবার কেউ কেউ ধরে আনা মাছ পাড়েই বিক্রি করছেন।
জেলে সুজন দেওয়ান জানান, তিনি গত রাত ৩টায় নদীতে নেমেছেন। নৌকায় ৩ জেলে ছিলেন। সকাল ১০টায় মাছ ধরা শেষে পাড়ে এসেছেন। পেয়েছেন পোয়াসহ ছোট প্রজাতির মাছ। ৪ হাজার ৮০০ টাকার বিক্রি করেছেন।
জেলে মিজানুর রহমান বলেন, ভোরে নদীতে নেমেছিলাম, বেলা ১১টার দিকে পাড়ে এসেছি। ছোট আকারের কয়েকটি ইলিশ ও পোয়া মাছ পেয়েছি। বাজারে নিয়ে বিক্রি করে যা পাব, তা দিয়ে খরচই উঠবে। তবে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাইনি।
চাঁদপুর সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, ইলিশ পরিভ্রমণশীল মাছ। সাগর থেকে নদীতে আসে, আবার সাগরে চলে যায়। আশা করি জেলেরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাবে। শুধু ইলিশ নয়, নদীর সব ধরনের মাছই মূল্যবান এবং জেলেরা তা পাচ্ছেন।
