পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বা আইপি আবেদন অনুমোদন করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
প্রথম দিনেই এখন পর্যন্ত ২১০টি আইপি আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে, এতে পেঁয়াজের পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ মেট্রিক টন।
বেশ কিছুদিন ধরেই দেশের পেঁয়াজের বাজার অস্থির। পেঁয়াজ উৎপাদন করে কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়
, সেজন্য কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষায় বিগত ১৫ মার্চ থেকে পেঁয়াজের আমদানির অনুমতি বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপর থেকেই বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম।
অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে আজ থেকে পেঁয়াজের আমদানির অনুমতি দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।
প্রথম দিনেই এখন পর্যন্ত ২১০টি আইপি আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে, এতে পেঁয়াজের পরিমাণ ২ লাখ ৮০ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
এ খবরেই পাইকারি বাজারে এক ধাক্কায় ২৫-৩০ টাকা পর্যন্ত পেঁয়াজের দাম কমেছে বলে জানা গেছে।
রমজানের ঈদের আগেও যে পেঁয়াজের৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে,
তা বাড়তে বাড়তে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রবিবারও কেজিতে সেঞ্চুরি ছুঁয়েছিল।
তবে লাগামহীন বাজার নিয়ন্ত্রণে আমদানি অনুমতির খবরে কমতে শুরু করেছে দাম।
দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে মার্চে প্রতি কেজি পেঁয়াজের ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা ছিল।
আমদানির অনুমতির আগে অর্থাৎ রবিবার সকাল পর্যন্ত এ বাজারে ৯০ টাকা থেকে ৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় পেঁয়াজের। ক্ষেত্র বিশেষে তা ১০০ টাকা কেজিতেও বিক্রি হয়েছে।
তবে আমদানির অনুমতির পরপরই দাম কমতে থাকে পেঁয়াজের দাম।
এ বাজারে আজ সোমবার প্রতি কেজি পেঁয়াজের দর ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান,
আমদানির অনুমতি দেওয়ার পর থেকে পাবনা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়ায় কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম পড়ে যায়। যার প্রভাব পড়েছে খাতুনগঞ্জেও।
বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ প্রবেশ শুরু হলে দাম আরও কমবে। তখন পেঁয়াজের দাম আগের পর্যায়ে নেমে আসবে।
প্রসঙ্গত, দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সীমিত আয়ের, শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট লাঘবসহ ভোক্তাদের স্বার্থরক্ষায় পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি (আইপি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কৃষি মন্ত্রণালয়।
রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, সোমবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে।

Comments are closed.