নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ এলাকার হাজী মোঃ মাসুম নূর রশিদ একই এলাকা নবীগঞ্জ উত্তর পাড়ার মৃত কমু বেপারীর পুত্র আমির হোসেনের নিকট পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় হামলা চালায়।
উল্লেখ্য মাসুম নূর রশিদ (৪৫) এর সাথে আমির হোসেন (৬২) এর ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল।সেই সুবাদে মাসুম নূর ব্যবসায়ী আমির হোসেনের নিকট ১৪,০০,০০০/-(চৌদ্দ লক্ষ) টাকা পাওনা ছিলো।পাওনা টাকা চাইতে গেলে উক্ত আমির হোসেন আজ কাল টাকা ফেরত দিবে বলে তালবাহানা করতো এবং বিভিন্ন লোক মারফত মাসুম নূরকে হুমকি ধামকি দিতো ও বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা মামলায় ফাসানোর চেষ্টা করতো।
মাসুম নূর তার উপর লোমহর্ষক হামলার বর্ণনায় বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪খ্রীঃ আমি কাইকারটেক ব্রিজ হইতে নবীগঞ্জ তিন গাঁ যাওয়ার পথে বিকাল আনুমানিক ০৫.১০ ঘটিকার সময় কুশিয়ারা সাকিনস্থ ব্রীজের সামনে পৌছালে আমির হোসেনের সাথে আমার দেখা হয়।সে সময় আমির হোসেন এর সাথে টাকা পয়সার বিষয়ে কথা বললে কুশিয়ারা পুলের সামনে তার মেয়ের জামাই শেখ সুমন(৩৮) ওরফে তেল সুমন এর নির্মানাধীন কমিউনিটি সেন্টারে নিয়া যায়। সেখানে যাওয়ার পর আমির হোসেন এর ছেলে মোঃ শামীম ওরফে ফেন্সী শামীম (৪৩), আরেক ছেলে মোঃ মাসুদ ওরফে ইয়াবা মাসুদ (৩৯) মেয়ের জামাই শেখ সুমন (৩৮) এবং অজ্ঞাতানামা ৪/৫ জন আমাকে আটক করে ফেলে এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আমার সাথে ধস্তাধ্বস্তি করে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লাঠিশোঠা, ছুরি, চাকু দিয়া মারপিট ও হত্যার হুমকি দেয় এবং আমাকে দিয়া খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানোর জন্য চেষ্টা চালায়। সে সময় আমার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন কমিউনিটি সেন্টারে চিৎকার চেচামিচি শুনে ভেতরে ঢুকলে তারা আমার জীবন নাশ করার হুমকি দিয়া পালাইয়া যায়। আমির হোসেন এবং তার সহযোগী দোসরদের আচরণে আমি ভয়ে ও আতঙ্কে আছি। আমার পাওনা টাকা আত্মসাৎ করার জন্য যে কোন সময় আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়া ফাসানো সহ আমার জানমালের ক্ষতি সাধন করতে পারে বলে আশঙ্কা করছি।
এব্যপারে ভয়ে ও আতংকে থাকা হাজী মোঃ মাসুম নূর রশিদ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গের পরামর্শে নিজের নিরাপত্তা চেয়ে বন্দর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এনএএন টিভি/ সুমন ইসলাম
